CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

সরকারকে উৎখাতে কাপনের কাপড় পরে আন্দোলনকারীদের সম্পদের খোঁজে গোয়েন্দা

#
news image

ইউনুস সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে কাফনের কাপড় পড়ে আন্দোনে অংশগ্রহণকারীদের ধরতে এবার মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের খোঁজে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। আর এই তালিকায় রয়েছে, ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণের মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনার, বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন (বাকাএভ) নেতা রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান ওরফে মজিবসহ অনেকে। 
সূত্র জানায়, কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের মো. আলহেলাল তাজ (সিপাই মহাসচিব, বাকাস), কাস্টমস ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের সাব ইন্সপেক্টর মো. মাহবুব হোসাইন (বাকাস সহ-সভাপতি), কাস্টমস পশ্চিম কমিশনারেটের সিপাই মোহাম্মদ শামসুদ্দিন (সাংগঠনিক সম্পাদক) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. বাবুল হোসেন (বাকাস নেতা) দুর্নীতিবাজরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে একেকজন কোটিপতি বনে গেছেন। 
কাস্টমস বৃহত্তর করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ঢাকার সিপাই মো. আবুল হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক) ও কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. মনজুরুল ইসলাম (নেতা) ও কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. মিজানুর রহমান সাব ইন্সপেক্টর, এবং মো. শাহীন মিয়া সিপাই ও সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ আঞ্চলিক কমিশনারেট। কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. হালিম মিয়া সিপাই- সিপাই সাব ইন্সপেক্টরদের নাইনের মাধ্যমে কোন কিছু না হয়, তাদের পক্ষে কাজ করতেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদস্য মেম্বার কাজী মুস্তাফিজুর রহমান। আর মো. মনজুরুল ইসলাম সিপাই কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ এ কর্মরত মোস্তাফিজুর রহমান সাহেবের আপন ভাতিজা এ কারণে ওদের পক্ষে কাজ করতেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মেম্বার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদের আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণ কমিশনারেট মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনার ও বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন বাকাএভ সমিতি আগারগাঁওয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান মজিব কোটি টাকার বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন। 
অপরদিকে কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং সার্কেল ট্যাক্স কর অফিসের বৈষম্য বিরোধী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ও সার্কেল ট্যাক্স কর অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িতদের বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলেও, আন্দোলনের প্রকৃত মদদদাতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। বাকাএভ নেতারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে তাদের রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।আর তাদের মধ্যে অকেন কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা কাফনের কাপড় পরে কর্মসূচি পালন এবং সরকারের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্য দিলেও তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল ও সংবাদমাধ্যমে সরকারবিরোধী আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। তাদের কারণেই কাস্টম হাউসের হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। আবার কাস্টমসের যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন, তাদের মধ্যে অতিরিক্ত কমিশনার মানস কুমার বর্মন (কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটে কর্মরত), কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান মজিব (বাকাএভ নেতা) এবং কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম (বাকাএভ নেতা) উল্লেখযোগ্য। অভিযোগ উঠেছে, আগারগাঁওয়ের রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান যিনি আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী, তিনি এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানের এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
জানা গেছে, কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের মো. আলহেলাল তাজ (সিপাই মহাসচিব, বাকাস), কাস্টমস ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের সাব ইন্সপেক্টর মো. মাহবুব হোসাইন (বাকাস সহ-সভাপতি), কাস্টমস পশ্চিম কমিশনারেটের সিপাই মোহাম্মদ শামসুদ্দিন (সাংগঠনিক সম্পাদক), কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. বাবুল হোসেন (বাকাস নেতা), কাস্টমস বৃহত্তর করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ঢাকার সিপাই মো. আবুল হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক) এবং কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. মনজুরুল ইসলাম (আঞ্চলিক কমিশনারেট নেতা) কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের পাশাপাশি আরও যারা জড়িত ছিলেন তাদের মধ্যে কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. মিজানুর রহমান সহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।
এদিকে চাকরি হতে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া ও যারা আতঙ্কে আছেন, তারা বলছেন, আমাদেরকে মিথ্যা তথ্য ও ভুল বুঝিয়ে ইউনুস সরকার উৎখাতের আন্দোলনে কাফনের কাপড় পড়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছিলেন, ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণের কমিশনারেট মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনান, বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন বাকাএভ নেতা রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান ওরফে মজিব। তারা যেন কোনোভাবেই শাস্তির আওতা থেকে রক্ষা না পান। তারা একেকজন কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন।

 

ইউসুফ আলী বাচ্চু

৩১ আগস্ট, ২০২৫,  4:38 PM

news image

ইউনুস সরকারকে উৎখাত করার লক্ষ্যে কাফনের কাপড় পড়ে আন্দোনে অংশগ্রহণকারীদের ধরতে এবার মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদের খোঁজে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। আর এই তালিকায় রয়েছে, ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণের মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনার, বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন (বাকাএভ) নেতা রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান ওরফে মজিবসহ অনেকে। 
সূত্র জানায়, কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের মো. আলহেলাল তাজ (সিপাই মহাসচিব, বাকাস), কাস্টমস ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের সাব ইন্সপেক্টর মো. মাহবুব হোসাইন (বাকাস সহ-সভাপতি), কাস্টমস পশ্চিম কমিশনারেটের সিপাই মোহাম্মদ শামসুদ্দিন (সাংগঠনিক সম্পাদক) কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. বাবুল হোসেন (বাকাস নেতা) দুর্নীতিবাজরা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে একেকজন কোটিপতি বনে গেছেন। 
কাস্টমস বৃহত্তর করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ঢাকার সিপাই মো. আবুল হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক) ও কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. মনজুরুল ইসলাম (নেতা) ও কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. মিজানুর রহমান সাব ইন্সপেক্টর, এবং মো. শাহীন মিয়া সিপাই ও সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ আঞ্চলিক কমিশনারেট। কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. হালিম মিয়া সিপাই- সিপাই সাব ইন্সপেক্টরদের নাইনের মাধ্যমে কোন কিছু না হয়, তাদের পক্ষে কাজ করতেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদস্য মেম্বার কাজী মুস্তাফিজুর রহমান। আর মো. মনজুরুল ইসলাম সিপাই কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ এ কর্মরত মোস্তাফিজুর রহমান সাহেবের আপন ভাতিজা এ কারণে ওদের পক্ষে কাজ করতেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মেম্বার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ঐক্য পরিষদের আন্দোলনকারীদের বেশিরভাগ ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণ কমিশনারেট মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনার ও বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন বাকাএভ সমিতি আগারগাঁওয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান মজিব কোটি টাকার বাজেট নিয়ে মাঠে নেমেছেন। 
অপরদিকে কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এবং সার্কেল ট্যাক্স কর অফিসের বৈষম্য বিরোধী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ও সার্কেল ট্যাক্স কর অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী আন্দোলনে জড়িতদের বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলেও, আন্দোলনের প্রকৃত মদদদাতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। বাকাএভ নেতারা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে তাদের রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।আর তাদের মধ্যে অকেন কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা কাফনের কাপড় পরে কর্মসূচি পালন এবং সরকারের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্য দিলেও তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন এবং বিভিন্ন বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল ও সংবাদমাধ্যমে সরকারবিরোধী আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। তাদের কারণেই কাস্টম হাউসের হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। আবার কাস্টমসের যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন, তাদের মধ্যে অতিরিক্ত কমিশনার মানস কুমার বর্মন (কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটে কর্মরত), কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান মজিব (বাকাএভ নেতা) এবং কাস্টমস রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম (বাকাএভ নেতা) উল্লেখযোগ্য। অভিযোগ উঠেছে, আগারগাঁওয়ের রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান যিনি আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী, তিনি এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানের এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
জানা গেছে, কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের মো. আলহেলাল তাজ (সিপাই মহাসচিব, বাকাস), কাস্টমস ঢাকা পূর্ব কমিশনারেটের সাব ইন্সপেক্টর মো. মাহবুব হোসাইন (বাকাস সহ-সভাপতি), কাস্টমস পশ্চিম কমিশনারেটের সিপাই মোহাম্মদ শামসুদ্দিন (সাংগঠনিক সম্পাদক), কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. বাবুল হোসেন (বাকাস নেতা), কাস্টমস বৃহত্তর করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ঢাকার সিপাই মো. আবুল হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক) এবং কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেটের সিপাই মো. মনজুরুল ইসলাম (আঞ্চলিক কমিশনারেট নেতা) কাফনের কাপড় পরে আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের পাশাপাশি আরও যারা জড়িত ছিলেন তাদের মধ্যে কাস্টমস ঢাকা দক্ষিণ কমিশনারেট মো. মিজানুর রহমান সহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।
এদিকে চাকরি হতে বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া ও যারা আতঙ্কে আছেন, তারা বলছেন, আমাদেরকে মিথ্যা তথ্য ও ভুল বুঝিয়ে ইউনুস সরকার উৎখাতের আন্দোলনে কাফনের কাপড় পড়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছিলেন, ঢাকা কাস্টমস দক্ষিণের কমিশনারেট মানস কুমার বর্মন অতিরিক্ত কমিশনান, বাংলাদেশ কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশন বাকাএভ নেতা রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমান ওরফে মজিব। তারা যেন কোনোভাবেই শাস্তির আওতা থেকে রক্ষা না পান। তারা একেকজন কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন।