CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ইয়ারবাড পরিষ্কারে ৫টি নিরাপদ উপায়

#
news image

আজকাল প্রায় সবার কানেই দেখা যায় ইয়ারবাড। গান শোনা, ভিডিও দেখা কিংবা কল রিসিভ করা—সব কিছুতেই এটি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে নিয়মিত ব্যবহার করলেও অনেকেই ইয়ারবাড পরিষ্কারে মনোযোগ দেন না। এর ফলে কানের ময়লা, ঘাম, ধুলাবালি ও তেলের আস্তরণ জমে গিয়ে শুধু শব্দের মান কমায় না, বরং কানের ইনফেকশন বা অস্বস্তির কারণও হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত একবার ইয়ারবাড পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

কীভাবে নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ইয়ারবাড পরিষ্কার রাখা যায়। নিচে দেওয়া হলো সেই ৫টি উপায়—


১. সিলিকন বা ফোম টিপ ধোয়া

যদি ইয়ারবাডে আলাদা সিলিকন বা ফোম টিপ থাকে, তবে সেটি খুলে হালকা সাবান মেশানো গরম পানিতে ১৫–২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর নরমভাবে মুছে শুকাতে দিন। তবে ফোম টিপ পানিতে বেশি সময় রাখবেন না, এতে ক্ষতি হতে পারে।

২. মেশ স্ক্রিন থেকে কানের ময়লা সরানো

ইয়ারবাডের সামনের মেশ বা জাল অংশে কানের ময়লা জমে যায়। নরম ব্রাশ বা টুথব্রাশ দিয়ে হালকা করে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে। চাইলে সামান্য অ্যালকোহল ভেজানো তুলা ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে খুব বেশি চাপ দেওয়া ঠিক নয়, কারণ এতে ময়লা ভেতরে ঢুকে যেতে পারে।

৩. বাহ্যিক অংশ পরিষ্কার করা

ইয়ারবাডের বাইরের অংশে ঘাম ও ধুলাবালি জমে। এজন্য মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে নিয়মিত মুছতে হবে। দাগ থাকলে অ্যালকোহল ভেজানো কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনও তরল যেন ভেতরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪. চার্জিং কেস পরিষ্কার

ইয়ারবাডের চার্জিং কেসেও ধুলা ও ময়লা জমে। কেসের ভিতর ও বাইরের অংশ শুকনো কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। ছোট কোণা বা চার্জিং পিনের জায়গা তুলা দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালকোহল ভেজানো তুলা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. ফ্যাব্রিক পাউচ ধোয়া

যারা ইয়ারবাড কাপড়ের পাউচে রাখেন, সেই পাউচটিও ধোয়া প্রয়োজন। সাবান মেশানো গরম পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। পরিষ্কার পাউচ ইয়ারবাডকে ধুলা ও লিন্ট থেকে রক্ষা করবে।

সতর্কতা

* কখনোই শক্তিশালী রাসায়নিক ব্যবহার করবেন না।
* কোনও তরল সরাসরি ইয়ারবাডে দেবেন না।
* পরিষ্কারের পর সম্পূর্ণ শুকনো না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করবেন না।

ইয়ারবাড নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এর আয়ু বাড়ে, শব্দ মান ভালো থাকে এবং কানের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার সময় নিয়ে ইয়ারবাড পরিষ্কার করা উচিত।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  2:55 PM

news image

আজকাল প্রায় সবার কানেই দেখা যায় ইয়ারবাড। গান শোনা, ভিডিও দেখা কিংবা কল রিসিভ করা—সব কিছুতেই এটি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে নিয়মিত ব্যবহার করলেও অনেকেই ইয়ারবাড পরিষ্কারে মনোযোগ দেন না। এর ফলে কানের ময়লা, ঘাম, ধুলাবালি ও তেলের আস্তরণ জমে গিয়ে শুধু শব্দের মান কমায় না, বরং কানের ইনফেকশন বা অস্বস্তির কারণও হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত একবার ইয়ারবাড পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

কীভাবে নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ইয়ারবাড পরিষ্কার রাখা যায়। নিচে দেওয়া হলো সেই ৫টি উপায়—


১. সিলিকন বা ফোম টিপ ধোয়া

যদি ইয়ারবাডে আলাদা সিলিকন বা ফোম টিপ থাকে, তবে সেটি খুলে হালকা সাবান মেশানো গরম পানিতে ১৫–২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর নরমভাবে মুছে শুকাতে দিন। তবে ফোম টিপ পানিতে বেশি সময় রাখবেন না, এতে ক্ষতি হতে পারে।

২. মেশ স্ক্রিন থেকে কানের ময়লা সরানো

ইয়ারবাডের সামনের মেশ বা জাল অংশে কানের ময়লা জমে যায়। নরম ব্রাশ বা টুথব্রাশ দিয়ে হালকা করে ময়লা পরিষ্কার করতে হবে। চাইলে সামান্য অ্যালকোহল ভেজানো তুলা ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে খুব বেশি চাপ দেওয়া ঠিক নয়, কারণ এতে ময়লা ভেতরে ঢুকে যেতে পারে।

৩. বাহ্যিক অংশ পরিষ্কার করা

ইয়ারবাডের বাইরের অংশে ঘাম ও ধুলাবালি জমে। এজন্য মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে নিয়মিত মুছতে হবে। দাগ থাকলে অ্যালকোহল ভেজানো কাপড় ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনও তরল যেন ভেতরে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪. চার্জিং কেস পরিষ্কার

ইয়ারবাডের চার্জিং কেসেও ধুলা ও ময়লা জমে। কেসের ভিতর ও বাইরের অংশ শুকনো কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। ছোট কোণা বা চার্জিং পিনের জায়গা তুলা দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালকোহল ভেজানো তুলা ব্যবহার করা যেতে পারে।

৫. ফ্যাব্রিক পাউচ ধোয়া

যারা ইয়ারবাড কাপড়ের পাউচে রাখেন, সেই পাউচটিও ধোয়া প্রয়োজন। সাবান মেশানো গরম পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। পরিষ্কার পাউচ ইয়ারবাডকে ধুলা ও লিন্ট থেকে রক্ষা করবে।

সতর্কতা

* কখনোই শক্তিশালী রাসায়নিক ব্যবহার করবেন না।
* কোনও তরল সরাসরি ইয়ারবাডে দেবেন না।
* পরিষ্কারের পর সম্পূর্ণ শুকনো না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করবেন না।

ইয়ারবাড নিয়মিত পরিষ্কার রাখলে এর আয়ু বাড়ে, শব্দ মান ভালো থাকে এবং কানের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার সময় নিয়ে ইয়ারবাড পরিষ্কার করা উচিত।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া