CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

সোরা অ্যাপে আয়ের সুযোগ দেবে ওপেনএআই

#
news image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা–নির্ভর ভিডিও তৈরির অ্যাপ ‘সোরা’–তে বড় পরিবর্তন আনছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা, টেলিভিশন প্রযোজক বা অন্যান্য কনটেন্ট ক্রিয়েটররা তাদের চরিত্র এবং সৃজনশীল উপাদান কীভাবে ব্যবহৃত হবে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এক ব্লগ পোস্টে লেখেন, ‘কপিরাইট মালিকরা এখন চরিত্র ব্যবহারের অনুমতি বা নিষেধাজ্ঞা নির্ধারণ করতে পারবেন। এতে তাদের কাজের ওপর স্বত্ব ও আয়–উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’


অল্টম্যান আরও জানান, চরিত্র বা কনটেন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলে, ভবিষ্যতে আয় ভাগাভাগির ব্যবস্থাও চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে এটি সোরা অ্যাপে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর করা হবে, পরে ওপেনএআইয়ের অন্যান্য পণ্যেও একই নীতি প্রয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

এআই–তৈরি ভিডিও কনটেন্টের ব্যবহার বাড়লেও, কপিরাইট ও নৈতিক অধিকার নিয়ে বিতর্কও সমানভাবে বাড়ছে। ইতোমধ্যে হলিউডসহ সৃজনশীল খাতের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, তাদের কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে এআই মডেলের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ডিজনি ঘোষণা দিয়েছে, তারা তাদের কোনও কনটেন্ট সোরা অ্যাপে ব্যবহারের অনুমতি দেবে না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া সোরা অ্যাপে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সহজ ইন্টারফেসের কারণে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও দ্রুত ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।

ওপেনএআই জানিয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারী সোরা ব্যবহার করছেন, বিশেষ করে ছোট ও নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠীর জন্য কনটেন্ট তৈরিতে আগ্রহ বাড়ছে।

মাইক্রোসফটের সহযোগিতায় তৈরি এই সোরা মডেলকে অনেকেই এআই–ভিত্তিক বহুমাত্রিক প্রযুক্তির পরবর্তী ধাপ হিসেবে দেখছেন। এরই মধ্যে গুগল ও মেটাও নিজেদের টেক্সট–টু–ভিডিও টুল বাজারে এনেছে, ফলে প্রতিযোগিতার মাঠ আরও গরম হয়ে উঠেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

০৪ অক্টোবর, ২০২৫,  5:04 PM

news image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা–নির্ভর ভিডিও তৈরির অ্যাপ ‘সোরা’–তে বড় পরিবর্তন আনছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে চলচ্চিত্র নির্মাতা, টেলিভিশন প্রযোজক বা অন্যান্য কনটেন্ট ক্রিয়েটররা তাদের চরিত্র এবং সৃজনশীল উপাদান কীভাবে ব্যবহৃত হবে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এক ব্লগ পোস্টে লেখেন, ‘কপিরাইট মালিকরা এখন চরিত্র ব্যবহারের অনুমতি বা নিষেধাজ্ঞা নির্ধারণ করতে পারবেন। এতে তাদের কাজের ওপর স্বত্ব ও আয়–উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’


অল্টম্যান আরও জানান, চরিত্র বা কনটেন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলে, ভবিষ্যতে আয় ভাগাভাগির ব্যবস্থাও চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে এটি সোরা অ্যাপে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর করা হবে, পরে ওপেনএআইয়ের অন্যান্য পণ্যেও একই নীতি প্রয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

এআই–তৈরি ভিডিও কনটেন্টের ব্যবহার বাড়লেও, কপিরাইট ও নৈতিক অধিকার নিয়ে বিতর্কও সমানভাবে বাড়ছে। ইতোমধ্যে হলিউডসহ সৃজনশীল খাতের অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, তাদের কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে এআই মডেলের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ডিজনি ঘোষণা দিয়েছে, তারা তাদের কোনও কনটেন্ট সোরা অ্যাপে ব্যবহারের অনুমতি দেবে না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া সোরা অ্যাপে ব্যবহারকারীরা সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ডের ভিডিও তৈরি করতে পারেন। সহজ ইন্টারফেসের কারণে সাধারণ ব্যবহারকারীরাও দ্রুত ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।

ওপেনএআই জানিয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারী সোরা ব্যবহার করছেন, বিশেষ করে ছোট ও নির্দিষ্ট দর্শকগোষ্ঠীর জন্য কনটেন্ট তৈরিতে আগ্রহ বাড়ছে।

মাইক্রোসফটের সহযোগিতায় তৈরি এই সোরা মডেলকে অনেকেই এআই–ভিত্তিক বহুমাত্রিক প্রযুক্তির পরবর্তী ধাপ হিসেবে দেখছেন। এরই মধ্যে গুগল ও মেটাও নিজেদের টেক্সট–টু–ভিডিও টুল বাজারে এনেছে, ফলে প্রতিযোগিতার মাঠ আরও গরম হয়ে উঠেছে।