CKEditor 5 Sample
ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় পার্টির অভিনন্দন  ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে ৪৩ শতাংশ মঠবাড়ীয়ায় সরকারি গাছ কাটার প্রতিবাদে বন কর্মকর্তাকে হুমকি : থানায় জিডি উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রমে ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণা অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ ইউজিসির জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ

রংপুর অঞ্চলে এবারে ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মে:ট: ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ 

#
news image

রংপুর অঞ্চলে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকায় ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলায় আমন ধানের আবাদ হয়েছিল ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৬১৩ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ১৪ লাখ মেট্রিক টনের বেশি।

এবার আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে। এতে  উৎপাদন হবে ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন।
গত ১০ বছরে উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে।

২০২৩ সালে রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। সেখানে আবাদ হয়েছিল ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৬২ হেক্টর। প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ধরা হয় ৩ মেট্রিক টনের কিছুটা বেশি।

প্রতি বছরই আমনের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, বৃষ্টি-নির্ভর এই ধানে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাননি এই অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে, সেচ দিয়ে আবাদ করতে হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে আমন ধান চাষে আগ্রহ বেড়েছে। তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান চাষ হচ্ছে।

রংপুর প্রতিনিধি

০৭ অক্টোবর, ২০২৫,  6:26 PM

news image

রংপুর অঞ্চলে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকায় ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সূত্র জানায়, ২০১৬ সালে রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলায় আমন ধানের আবাদ হয়েছিল ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৬১৩ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছিল ১৪ লাখ মেট্রিক টনের বেশি।

এবার আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে। এতে  উৎপাদন হবে ২০ লাখ ১০ হাজার ৪০৫ মেট্রিক টন।
গত ১০ বছরে উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে।

২০২৩ সালে রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে। সেখানে আবাদ হয়েছিল ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৬২ হেক্টর। প্রতি হেক্টরে গড় উৎপাদন ধরা হয় ৩ মেট্রিক টনের কিছুটা বেশি।

প্রতি বছরই আমনের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে, বৃষ্টি-নির্ভর এই ধানে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাননি এই অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে, সেচ দিয়ে আবাদ করতে হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে আমন ধান চাষে আগ্রহ বেড়েছে। তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান চাষ হচ্ছে।