স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ অক্টোবর, ২০২৫, 6:16 PM
গুয়াহাটিতে গতকাল নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইংল্যান্ডের হিদার নাইট। কারণ, তিনি একবার না। জীবন পেয়েছেন তিন তিনবার। যার মধ্যে একবার আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছিলেন। তবে তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রী ভেনুগোপালান ফিরিয়েছেন তাঁকে।
নাইট যে ১৩ রানে জীবন পেয়েছেন, সেটা নিয়ে বেশি আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। ১৫তম ওভারের তৃতীয় বলে ফাহিমা খাতুনের বল সোজা কাভারের ওপর তুলে দিয়েছেন নাইট। স্বর্ণা আক্তার ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরতেই নাইট ড্রেসিংরুমে হাঁটা দেন। কিন্তু মাঠের আম্পায়ারদের সন্দেহ থাকায় তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রীর শরণ নিয়েছেন। টিভি রিপ্লে বারবার যাচাই করার পর নাইটকে দেওয়া হয়েছে নট আউট। জীবন পাওয়া নাইট ৭৯ রানের ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে ২৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছেন। ১১১ বলের ইনিংসে ৮ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নাইটের আউট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের লেগস্পিনার ফাহিমা খাতুন। তাঁর (ফাহিমা) মতে নাইট আউট হলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি এই স্পিনার বলেন, ‘আমার মতে এটা সত্যিই অনেক দুঃখজনক। এটা যে আউট ছিল, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। সেভাবেই আবেদন করেছিলাম। আউট হওয়ার পরও যখন দেওয়া হয়নি, তখন হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার মতে নাইটের উইকেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তখন উইকেট পড়লে খেলার চিত্রটা ভিন্ন হতে পারত।’
১৭৮ রানের পুঁজি নিয়েও বাংলাদেশ চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে ইংল্যান্ডের সঙ্গে। ১৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ২৯.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানে পরিণত হয় ইংলিশরা। সপ্তম উইকেটে শার্লি ডিন ও নাইট ১০০ বলে ৭৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন। ম্যাচে বাংলাদেশের সেরা বোলার ১০ ওভারে ১৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২ ওভার মেডেনও দিয়েছেন বাংলাদেশি লেগস্পিনার। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফাহিমা বলেন, ‘উইকেট টু উইকেট বোলিং করাই বোলারদের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার দরকার ছিল। আমাদের বোলিং আক্রমণ অনুযায়ী স্কোর ভালো হয়েছিল মনে করি।’
নাইট অবশ্য আউট হতে পারতেন রানের খাতা খোলার আগেই। গুয়াহাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচে বাংলাদেশের দেওয়া ১৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ২ ওভারে ১ উইকেটে ৬ রান করে ইংলিশরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে নাইটের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন করেন মারুফা আক্তার। নাইট সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ করেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক নিগার সুলতানা জ্যোতি ক্যাচ ঠিকমতো ধরেছেন ঠিকই। কিন্তু বল কি আগে ব্যাটে না প্যাডে লেগেছে, সেটা নিয়ে তৈরি হয় সন্দেহ। তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রী নট আউট দিয়েছেন।
ব্যক্তিগত ৮ রানের সময় নাইট দ্বিতীয়বার জীবন পেয়েছেন। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে নাইটের বিপক্ষে মারুফা এলবিডব্লিউর আবেদন করলে আম্পায়ার আউট ঘোষণা করেন। নাইট রিভিউ নিলে দেখা যায়, বল স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে চলে গেছে। আর ১৩ রানের সময় তো তৃতীয়বার জীবন পেয়েছেন নাইট। ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও সেরা চারের বাইরে চলে যায়নি বাংলাদেশ। ২ পয়েন্ট ও +০.৫৭৩ নেট রানরেট নিয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল পয়েন্ট টেবিলের চারে অবস্থান করছে।
স্পোর্টস ডেস্ক
০৮ অক্টোবর, ২০২৫, 6:16 PM
গুয়াহাটিতে গতকাল নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইংল্যান্ডের হিদার নাইট। কারণ, তিনি একবার না। জীবন পেয়েছেন তিন তিনবার। যার মধ্যে একবার আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যাচ্ছিলেন। তবে তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রী ভেনুগোপালান ফিরিয়েছেন তাঁকে।
নাইট যে ১৩ রানে জীবন পেয়েছেন, সেটা নিয়ে বেশি আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। ১৫তম ওভারের তৃতীয় বলে ফাহিমা খাতুনের বল সোজা কাভারের ওপর তুলে দিয়েছেন নাইট। স্বর্ণা আক্তার ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরতেই নাইট ড্রেসিংরুমে হাঁটা দেন। কিন্তু মাঠের আম্পায়ারদের সন্দেহ থাকায় তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রীর শরণ নিয়েছেন। টিভি রিপ্লে বারবার যাচাই করার পর নাইটকে দেওয়া হয়েছে নট আউট। জীবন পাওয়া নাইট ৭৯ রানের ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে ২৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছেড়েছেন। ১১১ বলের ইনিংসে ৮ চার ও ১ ছক্কা মেরেছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নাইটের আউট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের লেগস্পিনার ফাহিমা খাতুন। তাঁর (ফাহিমা) মতে নাইট আউট হলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি এই স্পিনার বলেন, ‘আমার মতে এটা সত্যিই অনেক দুঃখজনক। এটা যে আউট ছিল, সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত ছিলাম। সেভাবেই আবেদন করেছিলাম। আউট হওয়ার পরও যখন দেওয়া হয়নি, তখন হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার মতে নাইটের উইকেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তখন উইকেট পড়লে খেলার চিত্রটা ভিন্ন হতে পারত।’
১৭৮ রানের পুঁজি নিয়েও বাংলাদেশ চোখে চোখ রেখে লড়াই করেছে ইংল্যান্ডের সঙ্গে। ১৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ২৯.৩ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানে পরিণত হয় ইংলিশরা। সপ্তম উইকেটে শার্লি ডিন ও নাইট ১০০ বলে ৭৯ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি গড়েন। ম্যাচে বাংলাদেশের সেরা বোলার ১০ ওভারে ১৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ২ ওভার মেডেনও দিয়েছেন বাংলাদেশি লেগস্পিনার। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফাহিমা বলেন, ‘উইকেট টু উইকেট বোলিং করাই বোলারদের পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার দরকার ছিল। আমাদের বোলিং আক্রমণ অনুযায়ী স্কোর ভালো হয়েছিল মনে করি।’
নাইট অবশ্য আউট হতে পারতেন রানের খাতা খোলার আগেই। গুয়াহাটিতে বিশ্বকাপের ম্যাচে বাংলাদেশের দেওয়া ১৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে ২ ওভারে ১ উইকেটে ৬ রান করে ইংলিশরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে নাইটের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন করেন মারুফা আক্তার। নাইট সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ করেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক নিগার সুলতানা জ্যোতি ক্যাচ ঠিকমতো ধরেছেন ঠিকই। কিন্তু বল কি আগে ব্যাটে না প্যাডে লেগেছে, সেটা নিয়ে তৈরি হয় সন্দেহ। তৃতীয় আম্পায়ার গায়ত্রী নট আউট দিয়েছেন।
ব্যক্তিগত ৮ রানের সময় নাইট দ্বিতীয়বার জীবন পেয়েছেন। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে নাইটের বিপক্ষে মারুফা এলবিডব্লিউর আবেদন করলে আম্পায়ার আউট ঘোষণা করেন। নাইট রিভিউ নিলে দেখা যায়, বল স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে চলে গেছে। আর ১৩ রানের সময় তো তৃতীয়বার জীবন পেয়েছেন নাইট। ইংল্যান্ডের কাছে হারলেও সেরা চারের বাইরে চলে যায়নি বাংলাদেশ। ২ পয়েন্ট ও +০.৫৭৩ নেট রানরেট নিয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল পয়েন্ট টেবিলের চারে অবস্থান করছে।