নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ অক্টোবর, ২০২৫, 4:25 PM
রাজধানী যাত্রাবাড়ী এলাকায় ১২ বছরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ করা মামলায় মো. বাচ্চু (২৫) ও মো. আব্দুল গাফফারকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রামপুরা এলাকায় ৫ বছরের আরেক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মো. বাচ্চু মিয়া হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) পৃথক দুই মামলায় ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম কবির এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড সাজা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু রায়হান সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. বাচ্চুকে কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। তার উপস্থিততে রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এই মামলার অপর আসামি মো. আব্দুল গাফফার পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিশু ধর্ষণের মামলার আরেক আসামি মো. বাচ্চু মিয়া হাওলাদারের উপস্থিততে রায় ঘোষণা করেন আদালত। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি দাবি করেছেন।’
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর ধর্ষণের মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি বাচ্চু ও আব্দুল গাফফার পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা প্রায় সময় ভুক্তভোগী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে উত্যক্ত করতো। বাদী বিষয়টি জানার পর আসামিদের বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন। ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর মামলার বাদী ও তার স্বামী কর্মস্থলে চলে যায়। ওই দিন বিকাল ৩টার দিকে আসামিরা ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু বললে হত্যার হুমকি দেয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমকের মা যাত্রাবাড়ী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইউমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক তাসলিমা আক্তার আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
৫ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল রামপুরার এক বাসার নিচে গ্যারেজে রান্না করতেন ভুক্তভোগীর মা। ওই সময় ভুক্তভোগী আসামির কাছে গেলে, তাকে রুমে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। কিছুক্ষণ পর বাদী জানতে পেরে আশপাশের লোকজনদের ডাকলে, আসামি পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে রামপুরা থানায় উপ-পরিদর্শক বকুল মিয়া ২০২১ সালের ৩১ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৬ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকালে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ অক্টোবর, ২০২৫, 4:25 PM
রাজধানী যাত্রাবাড়ী এলাকায় ১২ বছরের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ করা মামলায় মো. বাচ্চু (২৫) ও মো. আব্দুল গাফফারকে (৫৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া রামপুরা এলাকায় ৫ বছরের আরেক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মো. বাচ্চু মিয়া হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) পৃথক দুই মামলায় ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. গোলাম কবির এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড সাজা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু রায়হান সরকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. বাচ্চুকে কারাগার থেকে আদালত হাজির করা হয়। তার উপস্থিততে রায় ঘোষণা শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এই মামলার অপর আসামি মো. আব্দুল গাফফার পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিশু ধর্ষণের মামলার আরেক আসামি মো. বাচ্চু মিয়া হাওলাদারের উপস্থিততে রায় ঘোষণা করেন আদালত। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি দাবি করেছেন।’
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর ধর্ষণের মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি বাচ্চু ও আব্দুল গাফফার পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা প্রায় সময় ভুক্তভোগী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে উত্যক্ত করতো। বাদী বিষয়টি জানার পর আসামিদের বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন। ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর মামলার বাদী ও তার স্বামী কর্মস্থলে চলে যায়। ওই দিন বিকাল ৩টার দিকে আসামিরা ভুক্তভোগীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু বললে হত্যার হুমকি দেয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমকের মা যাত্রাবাড়ী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইউমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক তাসলিমা আক্তার আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৮ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
৫ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল রামপুরার এক বাসার নিচে গ্যারেজে রান্না করতেন ভুক্তভোগীর মা। ওই সময় ভুক্তভোগী আসামির কাছে গেলে, তাকে রুমে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। কিছুক্ষণ পর বাদী জানতে পেরে আশপাশের লোকজনদের ডাকলে, আসামি পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে রামপুরা থানায় উপ-পরিদর্শক বকুল মিয়া ২০২১ সালের ৩১ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই বছরের ১৬ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকালে ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।