CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান পরাজিত শক্তির সহযোগীরাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিরোধী

উৎপাদনমুখী শিল্পের সামনে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ

#
news image

পোশাক শিল্পসহ দেশের সমগ্র উৎপাদনমুখী শিল্প বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫’ এবং অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত জরুরি ইস্যুগুলো (যেমন এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে শিল্পখাত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫: উদ্বেগ ও পুনর্বিবেচনার আহ্বান: শিল্পখাত এই নতুন অধ্যাদেশের কয়েকটি বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে, যা শিল্পের স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নষ্ট করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রেড ইউনিয়ন গঠন: ভারসাম্যহীন সিদ্ধান্ত:
পরিবর্তিত বিধান: টিসিসি’র (ঞৎরঢ়ধৎঃরঃব ঈড়হংঁষঃধঃরাব ঈড়ঁহপরষ) আলোচনায় ৫০ থেকে ৫০০ শ্রমিকের কারখানায় ন্যূনতম ৫০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ একতরফাভাবে তা পরিবর্তন করে ২০-৩০০ শ্রমিক নির্ধারণ করেছে এবং ধাপ করেছে ৫টি।
উদ্যোক্তাদের আপত্তি: মাত্র ২০ জন শ্রমিক দিয়ে ইউনিয়ন গঠন করা হলে এটি শিল্পে অন্তঃদ্বন্দ্ব ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে, উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমবে।
আন্তর্জাতিক তুলনা: প্রতিবেশী প্রতিযোগী দেশ ভারতে যেখানে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শ্রমিক বা ১০০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ইউনিয়ন গঠন সম্ভব, সেখানে বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে দুর্বল ও অস্থিতিশীল কাঠামো তৈরি করবে।

বর্তমান বিধান: শ্রমিক চাইলে ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ‘প্রগতি’ (সার্বজনীন পেনশন) দু’টো পদ্ধতিতেই অংশ নিতে পারবে। এই দ্বৈত পদ্ধতি উদ্যোক্তাকে দুইটি ভিন্ন আর্থিক ব্যবস্থাপনা সমান্তরালে চালাতে বাধ্য করবে, যা প্রশাসনিক জটিলতা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং তহবিল ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম এবং শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো একক ও সহজ পেনশন কাঠামো অনুসরণ করে, যা বাংলাদেশে দ্বৈত পদ্ধতি চালু হলে মালিকপক্ষের প্রশাসনিক খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
শ্রমিকের সংজ্ঞায় অস্পষ্টতা: নতুন সংশোধনীতে শ্রমিকের সংজ্ঞায় “কর্মচারী/কর্মকর্তা” যুক্ত করায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শ্রমিক স্তরের মধ্যে বিভাজন ভেঙে যাবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে, দায়িত্ব বন্টনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে।
প্রক্রিয়াগত অবিচার: শিল্পখাতের অভিযোগ, ওয়ার্কিং কমিটি ও টিসিসি’র সভায় সকল পক্ষের অংশগ্রহণে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো উপদেষ্টা পরিষদ কোনো আলোচনা ছাড়াই পরিবর্তন করে অনুমোদন দিয়েছে, যা শ্রমিক, উদ্যোক্তা এবং সরকারের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ককে দুর্বল করবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি: প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর আঘাত
সরকার সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের সেবার বিপরীতে মাশুল প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। উদ্যোক্তাদের মতে, এই একতরফা সিদ্ধান্ত শিল্প ও অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর নয়।
সরকার প্রায় ৪০ বছর ধরে মাশুল না বাড়ানোর দাবি করলেও, শিল্পপক্ষ মনে করিয়ে দিয়েছে যে, বন্দর কর্তৃপক্ষ ডলারে মাশুল আদায় করে। ১৯৮৬-৮৭ সাল থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়নের কারণে উদ্যোক্তারা গত ৪০ বছরে কার্যত ৩০৮ শতাংশ বর্ধিত হারে মাশুল প্রদান করে আসছেন।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ৪০৩টি কন্টেইনার পরিবাহী সমুদ্র বন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ৩৫৭তম। অর্থাৎ, আমাদের বন্দর একদিকে ব্যয়বহুল, অন্যদিকে সবচেয়ে কম দক্ষ।
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রভাব: এমন সময়ে মাশুল বৃদ্ধি করা হলো, যখন এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের কারণে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সবচেয়ে বেশি জরুরি।
অর্থনৈতিক চাপ ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন: বিভিন্ন কারণে উৎপাদনমুখী শিল্পে পরিচালন ব্যয় লক্ষ্যণীয়ভাবে বেড়ে গেছে: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানীক্ষেত্রে উচ্চ সুদের হার।
ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ৫৬ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি এবং বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ৯ শতাংশ বৃদ্ধি। গ্যাস ও ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি। ২০২৩ থেকে রপ্তানি প্রণোদনা ৬০ শতাংশ  হ্রাস।
সমগ্র রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে অনুরোধ: এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হোক, যতক্ষণ না শিল্পখাত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা হোক।
জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস সংকটের সমাধান করা হোক। কাস্টমস ও এনবিআর প্রক্রিয়া সহজ করা হোক। উন্নত অবকাঠামো, লজিস্টিক এবং স্বল্প ব্যয়ে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হোক।
শিল্পখাত মনে করে, শ্রম আইন সংশোধন, বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের মতো সুদূরপ্রসারী নীতিগত ইস্যুতে উৎপাদনমুখী সকল শিল্পের বাস্তব চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাস্তবতা বিবেচনা করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ অক্টোবর, ২০২৫,  4:26 PM

news image

পোশাক শিল্পসহ দেশের সমগ্র উৎপাদনমুখী শিল্প বর্তমানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সম্প্রতি অনুমোদন দেওয়া ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫’ এবং অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত জরুরি ইস্যুগুলো (যেমন এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে বলে শিল্পখাত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫: উদ্বেগ ও পুনর্বিবেচনার আহ্বান: শিল্পখাত এই নতুন অধ্যাদেশের কয়েকটি বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে, যা শিল্পের স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নষ্ট করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রেড ইউনিয়ন গঠন: ভারসাম্যহীন সিদ্ধান্ত:
পরিবর্তিত বিধান: টিসিসি’র (ঞৎরঢ়ধৎঃরঃব ঈড়হংঁষঃধঃরাব ঈড়ঁহপরষ) আলোচনায় ৫০ থেকে ৫০০ শ্রমিকের কারখানায় ন্যূনতম ৫০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ একতরফাভাবে তা পরিবর্তন করে ২০-৩০০ শ্রমিক নির্ধারণ করেছে এবং ধাপ করেছে ৫টি।
উদ্যোক্তাদের আপত্তি: মাত্র ২০ জন শ্রমিক দিয়ে ইউনিয়ন গঠন করা হলে এটি শিল্পে অন্তঃদ্বন্দ্ব ও অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে, উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমবে।
আন্তর্জাতিক তুলনা: প্রতিবেশী প্রতিযোগী দেশ ভারতে যেখানে ন্যূনতম ১০ শতাংশ শ্রমিক বা ১০০ জন শ্রমিকের সম্মতিতে ইউনিয়ন গঠন সম্ভব, সেখানে বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে দুর্বল ও অস্থিতিশীল কাঠামো তৈরি করবে।

বর্তমান বিধান: শ্রমিক চাইলে ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ‘প্রগতি’ (সার্বজনীন পেনশন) দু’টো পদ্ধতিতেই অংশ নিতে পারবে। এই দ্বৈত পদ্ধতি উদ্যোক্তাকে দুইটি ভিন্ন আর্থিক ব্যবস্থাপনা সমান্তরালে চালাতে বাধ্য করবে, যা প্রশাসনিক জটিলতা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং তহবিল ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম এবং শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো একক ও সহজ পেনশন কাঠামো অনুসরণ করে, যা বাংলাদেশে দ্বৈত পদ্ধতি চালু হলে মালিকপক্ষের প্রশাসনিক খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
শ্রমিকের সংজ্ঞায় অস্পষ্টতা: নতুন সংশোধনীতে শ্রমিকের সংজ্ঞায় “কর্মচারী/কর্মকর্তা” যুক্ত করায় প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও শ্রমিক স্তরের মধ্যে বিভাজন ভেঙে যাবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে, দায়িত্ব বন্টনে বিভ্রান্তি তৈরি হবে এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় মারাত্মক সমস্যা দেখা দেবে।
প্রক্রিয়াগত অবিচার: শিল্পখাতের অভিযোগ, ওয়ার্কিং কমিটি ও টিসিসি’র সভায় সকল পক্ষের অংশগ্রহণে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো উপদেষ্টা পরিষদ কোনো আলোচনা ছাড়াই পরিবর্তন করে অনুমোদন দিয়েছে, যা শ্রমিক, উদ্যোক্তা এবং সরকারের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ককে দুর্বল করবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি: প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর আঘাত
সরকার সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের সেবার বিপরীতে মাশুল প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। উদ্যোক্তাদের মতে, এই একতরফা সিদ্ধান্ত শিল্প ও অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর নয়।
সরকার প্রায় ৪০ বছর ধরে মাশুল না বাড়ানোর দাবি করলেও, শিল্পপক্ষ মনে করিয়ে দিয়েছে যে, বন্দর কর্তৃপক্ষ ডলারে মাশুল আদায় করে। ১৯৮৬-৮৭ সাল থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়নের কারণে উদ্যোক্তারা গত ৪০ বছরে কার্যত ৩০৮ শতাংশ বর্ধিত হারে মাশুল প্রদান করে আসছেন।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের ৪০৩টি কন্টেইনার পরিবাহী সমুদ্র বন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ৩৫৭তম। অর্থাৎ, আমাদের বন্দর একদিকে ব্যয়বহুল, অন্যদিকে সবচেয়ে কম দক্ষ।
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রভাব: এমন সময়ে মাশুল বৃদ্ধি করা হলো, যখন এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের কারণে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সবচেয়ে বেশি জরুরি।
অর্থনৈতিক চাপ ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন: বিভিন্ন কারণে উৎপাদনমুখী শিল্পে পরিচালন ব্যয় লক্ষ্যণীয়ভাবে বেড়ে গেছে: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানীক্ষেত্রে উচ্চ সুদের হার।
ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ৫৬ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধি এবং বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ৯ শতাংশ বৃদ্ধি। গ্যাস ও ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি। ২০২৩ থেকে রপ্তানি প্রণোদনা ৬০ শতাংশ  হ্রাস।
সমগ্র রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে অনুরোধ: এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়া হোক, যতক্ষণ না শিল্পখাত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা হোক।
জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস সংকটের সমাধান করা হোক। কাস্টমস ও এনবিআর প্রক্রিয়া সহজ করা হোক। উন্নত অবকাঠামো, লজিস্টিক এবং স্বল্প ব্যয়ে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হোক।
শিল্পখাত মনে করে, শ্রম আইন সংশোধন, বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের মতো সুদূরপ্রসারী নীতিগত ইস্যুতে উৎপাদনমুখী সকল শিল্পের বাস্তব চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাস্তবতা বিবেচনা করে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।