তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 7:23 PM
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো উল্কাসেমি ভিএলএসআই প্রশিক্ষণকেন্দ্র (Ulkasemi VLSI Training Institute - UVTI)। আজ গুলশানে উল্কাসেমির কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তাঁর বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্যময় বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "আমরা আমাদের তরুণদের উন্নত জীবন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ উপহার দিতে পারলেই তা জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্যময় বাস্তবায়ন হবে।"
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে সরকারের সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনার ব্যাপারে সরকারের অবগত থাকার কথা তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন, "নলেজ ইজ পাওয়ার, উল্কাসেমি বাংলাদেশকে সেই পাওয়ার উপহার দিচ্ছে।"
তিনি প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি ও একাডেমির গতির মধ্যে ভারসাম্য আনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন:
"উল্কাসেমি উল্কার গতিতে এগুচ্ছে। একাডেমি পেছনে পড়ে রয়েছে। এজন্য আমাদের একটা মাঝামাঝি অবস্থানে আসতে হবে। তাই আমরা ইন্ডাস্ট্রিকে টার্গেট করে সামনে ন্যানো টেকনোলজি, ডেটা সায়েন্স, এআই, ইউএলএসআই একাডেমি কোর্স চালু করবো।"
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এটি নিয়মিত দেখাশোনা করবে এবং প্রতি এক বছর পর পর কারিকুলাম রিভিউ করা হবে।
UVTI-এর লক্ষ্য ও স্বপ্ন
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন কোম্পানি উল্কাসেমি, দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের বিশ্বমানের চিপ ডিজাইন দক্ষতা অর্জনের পথ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এনায়েতুর রহমান বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিশাল কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে পাঁচ হাজার ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুয়েট, আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মিলিটারি সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি ও গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর শিক্ষাবিদ ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
১১ নভেম্বর, ২০২৫, 7:23 PM
বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো উল্কাসেমি ভিএলএসআই প্রশিক্ষণকেন্দ্র (Ulkasemi VLSI Training Institute - UVTI)। আজ গুলশানে উল্কাসেমির কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব তাঁর বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্যময় বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "আমরা আমাদের তরুণদের উন্নত জীবন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ উপহার দিতে পারলেই তা জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্যময় বাস্তবায়ন হবে।"
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে সরকারের সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনার ব্যাপারে সরকারের অবগত থাকার কথা তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন, "নলেজ ইজ পাওয়ার, উল্কাসেমি বাংলাদেশকে সেই পাওয়ার উপহার দিচ্ছে।"
তিনি প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি ও একাডেমির গতির মধ্যে ভারসাম্য আনার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন:
"উল্কাসেমি উল্কার গতিতে এগুচ্ছে। একাডেমি পেছনে পড়ে রয়েছে। এজন্য আমাদের একটা মাঝামাঝি অবস্থানে আসতে হবে। তাই আমরা ইন্ডাস্ট্রিকে টার্গেট করে সামনে ন্যানো টেকনোলজি, ডেটা সায়েন্স, এআই, ইউএলএসআই একাডেমি কোর্স চালু করবো।"
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এটি নিয়মিত দেখাশোনা করবে এবং প্রতি এক বছর পর পর কারিকুলাম রিভিউ করা হবে।
UVTI-এর লক্ষ্য ও স্বপ্ন
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন কোম্পানি উল্কাসেমি, দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের বিশ্বমানের চিপ ডিজাইন দক্ষতা অর্জনের পথ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এনায়েতুর রহমান বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিশাল কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে পাঁচ হাজার ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বুয়েট, আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, মিলিটারি সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি ও গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর শিক্ষাবিদ ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।