নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:14 PM
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ছাতনাই (ছেতনাই) নদী পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। সোমবার উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় এই খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পরিমাণে ভূগর্ভস্থ পানি শোষণ করে নেয়। তাই আমি আহ্বান জানাব, আপনারা আর ইউক্যালিপ্টাস গাছ লাগাবেন না; বরং এর পরিবর্তে ফলদ, ওষুধি এবং কাঠের গাছ লাগান।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশকে সবুজায়ন করার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে হারিয়ে যাওয়া নদী, খাল ও জলাশয়গুলো পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, একটা সময় এই ছাতনাই খাল ছিল পানিতে ভরপুর এবং স্থানীয় মানুষের আমিষ ও চাষাবাদের প্রধান উৎস। সময়ের বিবর্তনে আজ এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন করবে যাতে দেশ আবারও সুজলা-সুফলা হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী খনন করা হবে। খনন কাজ শেষ হলে নদীর দুই ধারে ফলজ গাছ লাগানো হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক সম্পৃক্ত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের এই কাজে যুক্ত করা হচ্ছে যাতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আন্তরিকতা ও মালিকানাবোধ তৈরি হয়।
নদীটি খনন করা হলে এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং স্থানীয়রা পুষ্টি ও সেচ সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজ ডেস্ক
১৩ এপ্রিল, ২০২৬, 3:14 PM
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ছাতনাই (ছেতনাই) নদী পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। সোমবার উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় এই খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পরিমাণে ভূগর্ভস্থ পানি শোষণ করে নেয়। তাই আমি আহ্বান জানাব, আপনারা আর ইউক্যালিপ্টাস গাছ লাগাবেন না; বরং এর পরিবর্তে ফলদ, ওষুধি এবং কাঠের গাছ লাগান।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশকে সবুজায়ন করার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে হারিয়ে যাওয়া নদী, খাল ও জলাশয়গুলো পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, একটা সময় এই ছাতনাই খাল ছিল পানিতে ভরপুর এবং স্থানীয় মানুষের আমিষ ও চাষাবাদের প্রধান উৎস। সময়ের বিবর্তনে আজ এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন করবে যাতে দেশ আবারও সুজলা-সুফলা হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নদী খনন করা হবে। খনন কাজ শেষ হলে নদীর দুই ধারে ফলজ গাছ লাগানো হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক সম্পৃক্ত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের এই কাজে যুক্ত করা হচ্ছে যাতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি মানুষের মাঝে আন্তরিকতা ও মালিকানাবোধ তৈরি হয়।
নদীটি খনন করা হলে এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং স্থানীয়রা পুষ্টি ও সেচ সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।