আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ জুলাই, ২০২৫, 8:01 PM
ঢাকা : কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের ফাঁস হওয়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত।
মূলত ফাঁস হওয়া ওই ফোনকলকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ চাপে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক ও জনরোষের মুখে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তার বিরুদ্ধে পদচ্যুতি চেয়ে দায়ের হওয়া একটি মামলার বিচারাধীন থাকায় আদালত এ সিদ্ধান্ত নেয়।
ফোনালাপটিতে পায়েতংতার্ন সাবেক কম্বোডিয়ান নেতা হুন সেন-কে ‘আঙ্কেল’ বলে সম্বোধন করেন এবং থাই সেনাবাহিনীর একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সমালোচনা করেন। এতে জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তাকে পদচ্যুত করার দাবিতে আবেদন জমা দেওয়া হয়।
এটি কার্যকর হলে পায়েতংতার্ন হবেন সিনাওয়াত্রা পরিবারের তৃতীয় রাজনীতিক, যিনি মেয়াদ পূরণের আগেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন। তার আগে বাবার (থাকসিন সিনাওয়াত্রা) ও চাচীর (ইংলাক সিনাওয়াত্রা) সরকার সামরিক হস্তক্ষেপে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০১ জুলাই, ২০২৫, 8:01 PM
ঢাকা : কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের ফাঁস হওয়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত।
মূলত ফাঁস হওয়া ওই ফোনকলকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ চাপে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক ও জনরোষের মুখে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তার বিরুদ্ধে পদচ্যুতি চেয়ে দায়ের হওয়া একটি মামলার বিচারাধীন থাকায় আদালত এ সিদ্ধান্ত নেয়।
ফোনালাপটিতে পায়েতংতার্ন সাবেক কম্বোডিয়ান নেতা হুন সেন-কে ‘আঙ্কেল’ বলে সম্বোধন করেন এবং থাই সেনাবাহিনীর একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সমালোচনা করেন। এতে জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল মহলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং তাকে পদচ্যুত করার দাবিতে আবেদন জমা দেওয়া হয়।
এটি কার্যকর হলে পায়েতংতার্ন হবেন সিনাওয়াত্রা পরিবারের তৃতীয় রাজনীতিক, যিনি মেয়াদ পূরণের আগেই ক্ষমতা হারাচ্ছেন। তার আগে বাবার (থাকসিন সিনাওয়াত্রা) ও চাচীর (ইংলাক সিনাওয়াত্রা) সরকার সামরিক হস্তক্ষেপে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হয়েছিল।