CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

এবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিল ফ্রান্স

#
news image

ইসরায়েলের গাজায় ভয়াবহ হামলার মধ্যেই কূটনৈতিক উদ্যোগে যুক্ত হলো ফ্রান্স, আন্দোরা, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা ও মোনাকো। এই ছয়টি দেশের মধ্যে ফ্রান্স আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। 

 

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ পরিষদের বৈঠকের আগে ফ্রান্স এই স্বীকৃতি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

 

সৌদি আরবের সঙ্গে যৌথভাবে এই সম্মেলন আয়োজনকারী ফ্রান্সের পাশাপাশি আন্দোরা, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা এবং মোনাকো ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

 

এই সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, পর্তুগাল এবং যুক্তরাজ্যের নেতারাও, যারা আগের দিনই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, “আমরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছি, কারণ সময় এসেছে।”

 

“দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখতে আমাদের যা কিছু করার আছে, সবকিছু আমাদেরই করা উচিত,” বলেন ম্যাক্রোঁ।

 

তিনি বলেন, “আজ, আমি ঘোষণা দিচ্ছি যে ফ্রান্স ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।”

 

এই অতিরিক্ত দেশগুলো সেই ১৪৭টি রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হলো, যারা ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে, ফলে ইসরায়েলের উপর কূটনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৬৫,৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং উপত্যকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

 

স্পেন, নরওয়ে এবং আয়ারল্যান্ড গত বছর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যেখানে স্পেন গাজায় যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করে।

 

সোমবারের সম্মেলনে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, “যে দুটি রাষ্ট্র নিয়ে সমাধান ভাবা হচ্ছে, তাদের মধ্যে একটি যদি গণহত্যার শিকার হয়, তাহলে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  10:59 AM

news image

ইসরায়েলের গাজায় ভয়াবহ হামলার মধ্যেই কূটনৈতিক উদ্যোগে যুক্ত হলো ফ্রান্স, আন্দোরা, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা ও মোনাকো। এই ছয়টি দেশের মধ্যে ফ্রান্স আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। 

 

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ পরিষদের বৈঠকের আগে ফ্রান্স এই স্বীকৃতি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

 

সৌদি আরবের সঙ্গে যৌথভাবে এই সম্মেলন আয়োজনকারী ফ্রান্সের পাশাপাশি আন্দোরা, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা এবং মোনাকো ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

 

এই সম্মেলনে বক্তব্য রেখেছেন অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, পর্তুগাল এবং যুক্তরাজ্যের নেতারাও, যারা আগের দিনই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

সম্মেলনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, “আমরা আজ এখানে একত্রিত হয়েছি, কারণ সময় এসেছে।”

 

“দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে টিকিয়ে রাখতে আমাদের যা কিছু করার আছে, সবকিছু আমাদেরই করা উচিত,” বলেন ম্যাক্রোঁ।

 

তিনি বলেন, “আজ, আমি ঘোষণা দিচ্ছি যে ফ্রান্স ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।”

 

এই অতিরিক্ত দেশগুলো সেই ১৪৭টি রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হলো, যারা ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

 

বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে, ফলে ইসরায়েলের উপর কূটনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে। গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ইতোমধ্যে ৬৫,৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং উপত্যকাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

 

স্পেন, নরওয়ে এবং আয়ারল্যান্ড গত বছর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, যেখানে স্পেন গাজায় যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করে।

 

সোমবারের সম্মেলনে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, “যে দুটি রাষ্ট্র নিয়ে সমাধান ভাবা হচ্ছে, তাদের মধ্যে একটি যদি গণহত্যার শিকার হয়, তাহলে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।”