CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব, শিগগিরই অগ্রগতির সম্ভাবনা

#
news image

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন ২১ দফা একটি পরিকল্পনা উত্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি উইটকফ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, গাজা সংকট নিয়ে শিগগিরই কিছু অগ্রগতির ঘোষণা আসতে পারে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

উইটকফ বলেন, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরসহ কয়েকটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতার সঙ্গে সোমবার আয়োজিত বৈঠকে এই প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, পরিকল্পনায় যেমন ইসরায়েলের উদ্বেগের প্রতিফলন রয়েছে, তেমনি প্রতিবেশী দেশগুলোর উৎকণ্ঠাও তুলে ধরা হয়েছে।


তিনি বলেন, আমরা কেবল আশাবাদী নই, বরং বলতে পারেন আত্মবিশ্বাসী যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এক ধরনের অগ্রগতি ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলমান যুদ্ধ অবসানের কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের জবাবে ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। ওই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয় বলে ইসরায়েলি হিসাব অনুযায়ী জানা গেছে। এরপর থেকে শুরু হওয়ার ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৬৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। আর হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে এখন হাতে গোনা কয়েকজন জীবিত আছেন বলে জানা যাচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। সম্প্রতি ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো কয়েকটি পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যার কঠোর সমালোচনা করেছেন দুজনই।

এদিকে, আন্তর্জাতিক মহলের বারংবার আহ্বান সত্ত্বেও গাজা সিটিতে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তেল আবিব। তাদের সতর্ক করে হামাস বলেছে, আগ্রাসন বেশি ছড়িয়ে পড়লে হলে উল্টো জিম্মিদের জীবনই ঝুঁকিতে পড়বে।

অন্যদিকে, গাজার বাসিন্দাদের উদ্দেশে ইসরায়েলি সেনারা আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন হামাস থেকে সরে এসে যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
মার্কিন উদ্যোগের সমান্তরালে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ও আরব রাষ্ট্র গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পৃথক প্রস্তাবনা তৈরি করছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ও মুসলিম দেশসমূহের অংশগ্রহণে একটি বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  3:03 PM

news image

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন ২১ দফা একটি পরিকল্পনা উত্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে বিশেষ মার্কিন প্রতিনিধি উইটকফ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, গাজা সংকট নিয়ে শিগগিরই কিছু অগ্রগতির ঘোষণা আসতে পারে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

উইটকফ বলেন, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরসহ কয়েকটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতার সঙ্গে সোমবার আয়োজিত বৈঠকে এই প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, পরিকল্পনায় যেমন ইসরায়েলের উদ্বেগের প্রতিফলন রয়েছে, তেমনি প্রতিবেশী দেশগুলোর উৎকণ্ঠাও তুলে ধরা হয়েছে।


তিনি বলেন, আমরা কেবল আশাবাদী নই, বরং বলতে পারেন আত্মবিশ্বাসী যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এক ধরনের অগ্রগতি ঘোষণা করা সম্ভব হবে।

গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলমান যুদ্ধ অবসানের কোনও লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের জবাবে ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। ওই হামলায় প্রায় এক হাজার ২০০ জন মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয় বলে ইসরায়েলি হিসাব অনুযায়ী জানা গেছে। এরপর থেকে শুরু হওয়ার ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৬৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। আর হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের মধ্যে এখন হাতে গোনা কয়েকজন জীবিত আছেন বলে জানা যাচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। সম্প্রতি ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মতো কয়েকটি পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যার কঠোর সমালোচনা করেছেন দুজনই।

এদিকে, আন্তর্জাতিক মহলের বারংবার আহ্বান সত্ত্বেও গাজা সিটিতে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তেল আবিব। তাদের সতর্ক করে হামাস বলেছে, আগ্রাসন বেশি ছড়িয়ে পড়লে হলে উল্টো জিম্মিদের জীবনই ঝুঁকিতে পড়বে।

অন্যদিকে, গাজার বাসিন্দাদের উদ্দেশে ইসরায়েলি সেনারা আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন হামাস থেকে সরে এসে যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
মার্কিন উদ্যোগের সমান্তরালে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ও আরব রাষ্ট্র গাজার যুদ্ধ-পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পৃথক প্রস্তাবনা তৈরি করছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ও মুসলিম দেশসমূহের অংশগ্রহণে একটি বাহিনী গঠনের পরিকল্পনাও রয়েছে।