নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ অক্টোবর, ২০২৫, 5:27 PM
ইন্দোনেশিয়ায় একটি স্কুল ধসে পড়ার ঘটনায় কমপক্ষে ৯১ জন মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছে, যেখানে তারা দিনের শুরুতে অনুমান করা ৩৮ জনের সংখ্যা সংশোধন করে ৯১ জন ব্যক্তির কথা বলেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ছয়জন এখনো জীবিত রয়েছেন এবং তারা উদ্ধারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তারা প্রায় দুই দিন ধরে সেখানে আটকে রয়েছেন।
বিএনপিবি এক ফেসবুক পোস্টে বলেছে, “উদ্ধার প্রচেষ্টা বর্তমানে ম্যানুয়ালি গর্ত ও ফাঁকফোকর খুঁড়ে পরিচালিত হচ্ছে। কারণ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে ধ্বংসস্তূপ আরও ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।”
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, “ধসে পড়া এক অংশে ছয়জন জীবিত ব্যক্তির সংকেত পেয়েছে উদ্ধারকারী দল। ফাঁকফোকরের মাধ্যমে উদ্ধারকারীরা খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে, যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারেন।”
সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজন এবং আহত হয়েছে প্রায় ১০০ জন, যদিও এই সংখ্যায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত নয়।
আহতদের মধ্যে ৭০ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৬ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ধসের পর থেকে জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা, সেনাবাহিনী এবং জাতীয় পুলিশের তিনশতের বেশি উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব জাভার সিদোয়ারজো এলাকার আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে।
বিএনপিবি জানিয়েছে, “যদি মূল্যায়নে দেখা যায় আর কেউ জীবিত নেই, তাহলে পরবর্তী ধাপে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মৃতদেহ উদ্ধার করা হবে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক
০১ অক্টোবর, ২০২৫, 5:27 PM
ইন্দোনেশিয়ায় একটি স্কুল ধসে পড়ার ঘটনায় কমপক্ষে ৯১ জন মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছে, যেখানে তারা দিনের শুরুতে অনুমান করা ৩৮ জনের সংখ্যা সংশোধন করে ৯১ জন ব্যক্তির কথা বলেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে অন্তত ছয়জন এখনো জীবিত রয়েছেন এবং তারা উদ্ধারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তারা প্রায় দুই দিন ধরে সেখানে আটকে রয়েছেন।
বিএনপিবি এক ফেসবুক পোস্টে বলেছে, “উদ্ধার প্রচেষ্টা বর্তমানে ম্যানুয়ালি গর্ত ও ফাঁকফোকর খুঁড়ে পরিচালিত হচ্ছে। কারণ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে ধ্বংসস্তূপ আরও ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।”
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, “ধসে পড়া এক অংশে ছয়জন জীবিত ব্যক্তির সংকেত পেয়েছে উদ্ধারকারী দল। ফাঁকফোকরের মাধ্যমে উদ্ধারকারীরা খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে, যাতে তারা বেঁচে থাকতে পারেন।”
সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজন এবং আহত হয়েছে প্রায় ১০০ জন, যদিও এই সংখ্যায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত নয়।
আহতদের মধ্যে ৭০ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৬ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ধসের পর থেকে জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা, সেনাবাহিনী এবং জাতীয় পুলিশের তিনশতের বেশি উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব জাভার সিদোয়ারজো এলাকার আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে।
বিএনপিবি জানিয়েছে, “যদি মূল্যায়নে দেখা যায় আর কেউ জীবিত নেই, তাহলে পরবর্তী ধাপে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মৃতদেহ উদ্ধার করা হবে।”