CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

কঠিন বাস্তবতার মুখে শিল্প শ্রমিকরা

#
news image

 

"ন্যায্যতা, সুরক্ষা ও মর্যাদা—শ্রমিকের অধিকার" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পালিত হলো বিশ্ব শোভন কর্ম দিবস ২০২৫। শ্রমিক অধিকারভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা সেইফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি (এসআরএস)-এর আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও বিস্তৃতি
এসআরএস জানায়, বাংলাদেশের শিল্প খাতের চালিকাশক্তি পোশাক, নির্মাণ, ট্যানারি, পাথরভাঙা ও জাহাজভাঙা খাতের শ্রমিকদের শোভন কাজের ধারণাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শক্তিশালী করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচি ঢাকা (আশুলিয়া, সাভার, মিরপুর, শ্যামপুর, রামপুরা, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা), গাজীপুর (বাসন ও গাছা), লালমনিরহাট (বুড়িমারী) এবং চট্টগ্রাম (সীতাকুণ্ড)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোতে অনুষ্ঠিত হয়। রেডিমেড গার্মেন্টস, নির্মাণ, ট্যানারি, জুতা, পাথরভাঙা ও জাহাজভাঙা খাতের ১৪টি শ্রমিক গ্রুপের প্রায় ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক পথসভা, আলোচনা, পোস্টার ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে এতে অংশ নেন।

শ্রমিকদের কঠিন বাস্তবতার চিত্র
কর্মসূচিতে বক্তারা তুলে ধরেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে শিল্প খাতের শ্রমিকরা অগ্রণী ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনের বাস্তবতা এখনো কঠিন। তাদের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ

কম মজুরি ও কর্মঘণ্টার অনিশ্চয়তা

সামাজিক সুরক্ষার অভাব

নারীদের মাতৃত্বকালীন সুবিধার ঘাটতি

এসআরএস বিশ্বাস করে, শোভন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা কেবল শ্রমিকের অধিকার নয়, এটি টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হলেই শ্রমিকরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবেন।

সেইফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সেকেন্দার আলী মিনা বলেন, "শোভন কর্মপরিবেশ কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের শর্ত নয়, এটি মানবিক মর্যাদা ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করলেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।"

এই কর্মসূচিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব), ট্যানারী ওয়ার্কাস ইউনিয়ন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    

০৭ অক্টোবর, ২০২৫,  4:45 PM

news image

 

"ন্যায্যতা, সুরক্ষা ও মর্যাদা—শ্রমিকের অধিকার" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পালিত হলো বিশ্ব শোভন কর্ম দিবস ২০২৫। শ্রমিক অধিকারভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা সেইফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি (এসআরএস)-এর আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও বিস্তৃতি
এসআরএস জানায়, বাংলাদেশের শিল্প খাতের চালিকাশক্তি পোশাক, নির্মাণ, ট্যানারি, পাথরভাঙা ও জাহাজভাঙা খাতের শ্রমিকদের শোভন কাজের ধারণাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শক্তিশালী করাই ছিল এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

দিনব্যাপী এই কর্মসূচি ঢাকা (আশুলিয়া, সাভার, মিরপুর, শ্যামপুর, রামপুরা, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা), গাজীপুর (বাসন ও গাছা), লালমনিরহাট (বুড়িমারী) এবং চট্টগ্রাম (সীতাকুণ্ড)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোতে অনুষ্ঠিত হয়। রেডিমেড গার্মেন্টস, নির্মাণ, ট্যানারি, জুতা, পাথরভাঙা ও জাহাজভাঙা খাতের ১৪টি শ্রমিক গ্রুপের প্রায় ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক পথসভা, আলোচনা, পোস্টার ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে এতে অংশ নেন।

শ্রমিকদের কঠিন বাস্তবতার চিত্র
কর্মসূচিতে বক্তারা তুলে ধরেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে শিল্প খাতের শ্রমিকরা অগ্রণী ভূমিকা রাখলেও তাদের জীবনের বাস্তবতা এখনো কঠিন। তাদের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

নিরাপত্তাহীন কর্মপরিবেশ

কম মজুরি ও কর্মঘণ্টার অনিশ্চয়তা

সামাজিক সুরক্ষার অভাব

নারীদের মাতৃত্বকালীন সুবিধার ঘাটতি

এসআরএস বিশ্বাস করে, শোভন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা কেবল শ্রমিকের অধিকার নয়, এটি টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ন্যায্য মজুরি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হলেই শ্রমিকরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবেন।

সেইফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সেকেন্দার আলী মিনা বলেন, "শোভন কর্মপরিবেশ কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের শর্ত নয়, এটি মানবিক মর্যাদা ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করলেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।"

এই কর্মসূচিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব), ট্যানারী ওয়ার্কাস ইউনিয়ন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করে।