ইউসুফ আলী বাচ্চু
১৫ অক্টোবর, ২০২৫, 5:05 PM
রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বাসাবাড়িতে সাপের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গত সাড়ে তিন মাসে উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বনশ্রী, মোহাম্মদপুর, বছিলা, আফতাবনগর, নিকেতন ও মিরপুরের মতো এলাকা থেকে অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা অন্তত ৩২১টি সাপ উদ্ধার করেছেন। উদ্ধারকৃত সাপের মধ্যে বেশিরভাগই বিষধর পদ্মগোখরা (Cobra)। সংস্থাটির আহ্বায়ক আদনান আজাদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে পদ্মগোখরার আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তাদের ধারণা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নাগরিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার ফলেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বাসাবাড়িতে সাপ ঢোকার কারণ
আদনান আজাদ তাঁর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাসাবাড়িতে সাপ ঢুকে পড়ার দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন:
জলাশয় সংকুচিত হওয়া ও বৃষ্টির প্রভাব
আবাসন নির্মাণ: বনশ্রী ও আফতাবনগরসহ ঢাকার অনেক এলাকা একসময় জলাশয়পূর্ণ ছিল। আবাসন তৈরি হওয়ার ফলে এসব জলাশয় সংকুচিত হয়েছে, যা সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
বৃষ্টিপাত: পদ্মগোখরার মতো সাপের পানিপ্রীতি রয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে অবশিষ্ট জলাশয় ও গর্তগুলো পানিপূর্ণ হয়ে গেলে, তারা শুষ্ক ও নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিকটস্থ বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়ছে।
২. যত্রতত্র খাবার ফেলা ও ইঁদুরের উপদ্রব
উচ্ছিষ্ট খাবার: নাগরিকরা বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার ফলে সেই স্থানগুলোতে ইঁদুরের আনাগোনা বেড়ে যায়।
ইঁদুরের লোভে: ইঁদুরের লোভে সাপ গলিপথ দিয়ে আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করছে। একবার গলিতে ঢোকার পর তারা সেখানে বংশবৃদ্ধিও করছে এবং সহজে বাসাবাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।
আদনান আজাদ বলেন, বনশ্রী, আফতাবনগর, উত্তরখান ও দক্ষিণখানসহ ঢাকার যেসব এলাকা থেকে সাপ উদ্ধার করা হচ্ছে, সবখানেই এই দুটি কারণ মুখ্য ভূমিকা রাখছে।
ইউসুফ আলী বাচ্চু
১৫ অক্টোবর, ২০২৫, 5:05 PM
রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় বাসাবাড়িতে সাপের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গত সাড়ে তিন মাসে উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বনশ্রী, মোহাম্মদপুর, বছিলা, আফতাবনগর, নিকেতন ও মিরপুরের মতো এলাকা থেকে অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা অন্তত ৩২১টি সাপ উদ্ধার করেছেন। উদ্ধারকৃত সাপের মধ্যে বেশিরভাগই বিষধর পদ্মগোখরা (Cobra)। সংস্থাটির আহ্বায়ক আদনান আজাদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে পদ্মগোখরার আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তাদের ধারণা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নাগরিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার ফলেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বাসাবাড়িতে সাপ ঢোকার কারণ
আদনান আজাদ তাঁর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাসাবাড়িতে সাপ ঢুকে পড়ার দুটি প্রধান কারণ উল্লেখ করেছেন:
জলাশয় সংকুচিত হওয়া ও বৃষ্টির প্রভাব
আবাসন নির্মাণ: বনশ্রী ও আফতাবনগরসহ ঢাকার অনেক এলাকা একসময় জলাশয়পূর্ণ ছিল। আবাসন তৈরি হওয়ার ফলে এসব জলাশয় সংকুচিত হয়েছে, যা সাপের প্রাকৃতিক আবাসস্থল।
বৃষ্টিপাত: পদ্মগোখরার মতো সাপের পানিপ্রীতি রয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে অবশিষ্ট জলাশয় ও গর্তগুলো পানিপূর্ণ হয়ে গেলে, তারা শুষ্ক ও নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিকটস্থ বাসাবাড়িতে ঢুকে পড়ছে।
২. যত্রতত্র খাবার ফেলা ও ইঁদুরের উপদ্রব
উচ্ছিষ্ট খাবার: নাগরিকরা বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার ফলে সেই স্থানগুলোতে ইঁদুরের আনাগোনা বেড়ে যায়।
ইঁদুরের লোভে: ইঁদুরের লোভে সাপ গলিপথ দিয়ে আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করছে। একবার গলিতে ঢোকার পর তারা সেখানে বংশবৃদ্ধিও করছে এবং সহজে বাসাবাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।
আদনান আজাদ বলেন, বনশ্রী, আফতাবনগর, উত্তরখান ও দক্ষিণখানসহ ঢাকার যেসব এলাকা থেকে সাপ উদ্ধার করা হচ্ছে, সবখানেই এই দুটি কারণ মুখ্য ভূমিকা রাখছে।