নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর, ২০২৫, 6:47 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের এখনই কেয়ারটেকার মুডে চলে যাওয়া উচিত। যারা বিতর্কিত বা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের সরকারি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে, না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, বর্তমানে ১৪-১৫ মাস ধরে নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ চলছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাষ্ট্রে জবাবদিহি হারিয়ে গেছে। প্রশাসন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়—সব জায়গায় জবাবদিহির ঘাটতি স্পষ্ট। এটা দেশের গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ সংকেত।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার না থাকলে কারও কাছে জবাবদিহির প্রশ্নই আসে না। সরকার ওপরে, জনগণ নিচে— মাঝখানে কোনও সেতু নেই। সেই সেতুই নির্বাচিত প্রতিনিধি, যা এখন অনুপস্থিত। আমরা কোনও অনির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করি না। আমাদের একটাই দাবি—যত দ্রুত সম্ভব জনগণের মালিকানা জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে নির্বাচিত সংসদ গঠন করতে হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। সেই স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনও আপস নেই। দেশের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে কারও হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ অক্টোবর, ২০২৫, 6:47 PM
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের এখনই কেয়ারটেকার মুডে চলে যাওয়া উচিত। যারা বিতর্কিত বা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের সরকারি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে, না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমির খসরু বলেন, বর্তমানে ১৪-১৫ মাস ধরে নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশ চলছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাষ্ট্রে জবাবদিহি হারিয়ে গেছে। প্রশাসন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়—সব জায়গায় জবাবদিহির ঘাটতি স্পষ্ট। এটা দেশের গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ সংকেত।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার না থাকলে কারও কাছে জবাবদিহির প্রশ্নই আসে না। সরকার ওপরে, জনগণ নিচে— মাঝখানে কোনও সেতু নেই। সেই সেতুই নির্বাচিত প্রতিনিধি, যা এখন অনুপস্থিত। আমরা কোনও অনির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে কিছু প্রত্যাশা করি না। আমাদের একটাই দাবি—যত দ্রুত সম্ভব জনগণের মালিকানা জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দিতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে নির্বাচিত সংসদ গঠন করতে হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। সেই স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনও আপস নেই। দেশের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে কারও হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।