CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

বালিকাদের স্কুলে পড়ছে বালকেরাও!

#
news image

সহ-শিক্ষার ক্ষেত্রে বালক-বালিকা একই শ্রেণিতে পাঠদান কোনো সমস্যা নয়। দেশের অধিকাংশ নিন্মমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সেটাই চলে আসছে। কিন্তু যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গার্লস স্কুল হিসেবে সেখানে বালকদের ভর্তি এবং পাঠদানের ঘটনা বিস্ময়কর বৈকি। ঘটনাটি বিস্ময়কর হলেও তা ঘটেছে খোদ রাজধানীর একটি বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টির নাম খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। রামপুরার উলনে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। সে হিসেবে বিদ্যালয়ের বয়স ৬০ বছর। জনমনে গভীর কৌতুহল নিয়েও বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে দীর্ঘ ছয় দশক ধরে। 
অনুসন্ধান ও সরেজমিন জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো সম্পত্তি ও ভবন না থাকলেও বিধিবহির্ভূতভাবে এটি অনুমোদন পেয়েছে। নিজস্ব ভবন বা জমি না থাকায় ‘খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়’- এর ভবনে তারা তাদের পাঠদান কার্যক্রম চলে আসছে। নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি বিধি মোতাবেক কেবল বালিকা ভর্তির অনুমতি পেলেও প্রতি বছর ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত বালিকার পাশাপাশি বালকদেরও ভর্তি ও পাঠদান করে থাকে। বিষয়টি এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে ।
এ ব্যাপারে খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ছাত্রসংখ্যা কম থাকায় কিছু ছাত্র ভর্তি করা হয়েছে এক সময়। তবে এটা লিগ্যাল না। এটা গত বছর থেকে বন্ধ করা হয়েছে। আমরা খুব কষ্টে আছি
একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বালকেরা কীভাবে পড়ে জানতে চাইলে থানা শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাকিম বলেন, গার্লস স্কুলেওতা ছেলেদের পড়ার সুযোগ নেই। এটা আমি প্রথম শুনলাম আপনার কাছ থেকে। আমার এটা জানা নেই, কেউ জানালে সেই অনুয়ায়ী ব্যাবস্থা নেব। নিজস্ব ভবন নেই এটি আমরা জানি। একই ভবনে দুটি এমপিও স্কুল চলছে এবং সেটি একত্রীকরণের প্রক্রিয়া চলছে। সেটি এখন কোন পর্যায়ে আছে জানা নেই। আমি গত বছর বিদ্যালয়টি ভিজিট করেছি তখন ছেলে বাচ্চা দেখতে পাইনি।
প্রসঙ্গত, ঢিমে তালে চলা এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি যথাযথ কতৃপক্ষের নজর দেয়া প্রয়োজন। এমপিওভুক্ত স্কুল হিসেবে সরকারের রাজস্ব ব্যয় হলেও সেভাবে আউটপুট আসছে না বিদ্যালয়টি থেকে। নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও পড়াশোনার মান নিয়েও আছে নানা প্রশ্ন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টির সুরাহা চান, যাতে বিদ্যালয়টি ভাবমূর্তি নিয়ে চলতে পারে।  
খালেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মৌসুমী নাসরীন বলেন, আমি বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে সবেমাত্র দায়িত্ব পেয়েছি। বিষয়টি আমি জেনেছি। বিষয়টি যাচাই করে আমি ব্যবস্থা নেব।   

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ অক্টোবর, ২০২৫,  5:15 PM

news image

সহ-শিক্ষার ক্ষেত্রে বালক-বালিকা একই শ্রেণিতে পাঠদান কোনো সমস্যা নয়। দেশের অধিকাংশ নিন্মমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সেটাই চলে আসছে। কিন্তু যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গার্লস স্কুল হিসেবে সেখানে বালকদের ভর্তি এবং পাঠদানের ঘটনা বিস্ময়কর বৈকি। ঘটনাটি বিস্ময়কর হলেও তা ঘটেছে খোদ রাজধানীর একটি বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টির নাম খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। রামপুরার উলনে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। সে হিসেবে বিদ্যালয়ের বয়স ৬০ বছর। জনমনে গভীর কৌতুহল নিয়েও বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়ে আসছে দীর্ঘ ছয় দশক ধরে। 
অনুসন্ধান ও সরেজমিন জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কোনো সম্পত্তি ও ভবন না থাকলেও বিধিবহির্ভূতভাবে এটি অনুমোদন পেয়েছে। নিজস্ব ভবন বা জমি না থাকায় ‘খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়’- এর ভবনে তারা তাদের পাঠদান কার্যক্রম চলে আসছে। নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি বিধি মোতাবেক কেবল বালিকা ভর্তির অনুমতি পেলেও প্রতি বছর ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত বালিকার পাশাপাশি বালকদেরও ভর্তি ও পাঠদান করে থাকে। বিষয়টি এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ও হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে ।
এ ব্যাপারে খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ছাত্রসংখ্যা কম থাকায় কিছু ছাত্র ভর্তি করা হয়েছে এক সময়। তবে এটা লিগ্যাল না। এটা গত বছর থেকে বন্ধ করা হয়েছে। আমরা খুব কষ্টে আছি
একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বালকেরা কীভাবে পড়ে জানতে চাইলে থানা শিক্ষা অফিসার আব্দুল হাকিম বলেন, গার্লস স্কুলেওতা ছেলেদের পড়ার সুযোগ নেই। এটা আমি প্রথম শুনলাম আপনার কাছ থেকে। আমার এটা জানা নেই, কেউ জানালে সেই অনুয়ায়ী ব্যাবস্থা নেব। নিজস্ব ভবন নেই এটি আমরা জানি। একই ভবনে দুটি এমপিও স্কুল চলছে এবং সেটি একত্রীকরণের প্রক্রিয়া চলছে। সেটি এখন কোন পর্যায়ে আছে জানা নেই। আমি গত বছর বিদ্যালয়টি ভিজিট করেছি তখন ছেলে বাচ্চা দেখতে পাইনি।
প্রসঙ্গত, ঢিমে তালে চলা এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতি যথাযথ কতৃপক্ষের নজর দেয়া প্রয়োজন। এমপিওভুক্ত স্কুল হিসেবে সরকারের রাজস্ব ব্যয় হলেও সেভাবে আউটপুট আসছে না বিদ্যালয়টি থেকে। নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকা থাকলেও পড়াশোনার মান নিয়েও আছে নানা প্রশ্ন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টির সুরাহা চান, যাতে বিদ্যালয়টি ভাবমূর্তি নিয়ে চলতে পারে।  
খালেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মৌসুমী নাসরীন বলেন, আমি বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে সবেমাত্র দায়িত্ব পেয়েছি। বিষয়টি আমি জেনেছি। বিষয়টি যাচাই করে আমি ব্যবস্থা নেব।