আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ নভেম্বর, ২০২৫, 6:37 PM
ইউক্রেন রাশিয়ার সঙ্গে বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া আবার চালু করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ১ হাজার ২০০ ইউক্রেনীয় নাগরিককে মুক্ত করার আশা করছে দেশটি। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং তার নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। রোববার টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে জেলেনস্কি বলেন, আমরা বিনিময় পুনরায় শুরুর অপেক্ষায় আছি। এখন বহু বৈঠক, আলোচনা ও ফোনকলে এই বিষয়টিই প্রাধান্য পাচ্ছে।
নিরাপত্তা প্রধান রুস্তেম উমেরভ শনিবার জানান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনি পরামর্শমূলক বৈঠক করেছেন। কিয়েভের অংশীদারদের সহায়তায় বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার বিষয়ে এসব আলোচনা হয়েছে।
উমেরভ বলেন, ‘এই আলোচনার ফল হিসেবে পক্ষগুলো ইস্তাম্বুল চুক্তিতে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছে। বিষয়টি ১ হাজার ২০০ ইউক্রেনীয়কে মুক্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
ইউক্রেনের এই বক্তব্যের বিষয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইস্তাম্বুল চুক্তি হলো ২০২২ সালে তুর্কি মধ্যস্থতায় গঠিত বন্দি-বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতা, যেখানে বড় পরিসরে দুদেশের মধ্যে সমন্বিত বিনিময়ের নিয়ম নির্ধারিত হয়েছিল। এরপর থেকে দুদেশ হাজার হাজার বন্দি বিনিময় করেছে। তবে রাশিয়ার ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর মাঝে–মধ্যে রণক্ষেত্রে উত্তেজনা বাড়ায় এ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
উমেরভ জানান, শিগগিরই প্রক্রিয়ার কার্যকরী দিকগুলো নির্ধারণে নতুন করে পরামর্শ বৈঠক হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিরামহীনভাবে কাজ করছি, যাতে বন্দিদশা থেকে ইউক্রেনীয়রা নতুন বছর ও বড়দিন ঘরে, পরিবারের টেবিলে, আপনজনদের সঙ্গে উদযাপন করতে পারে।’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ নভেম্বর, ২০২৫, 6:37 PM
ইউক্রেন রাশিয়ার সঙ্গে বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া আবার চালু করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ১ হাজার ২০০ ইউক্রেনীয় নাগরিককে মুক্ত করার আশা করছে দেশটি। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং তার নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। রোববার টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিওতে জেলেনস্কি বলেন, আমরা বিনিময় পুনরায় শুরুর অপেক্ষায় আছি। এখন বহু বৈঠক, আলোচনা ও ফোনকলে এই বিষয়টিই প্রাধান্য পাচ্ছে।
নিরাপত্তা প্রধান রুস্তেম উমেরভ শনিবার জানান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিনি পরামর্শমূলক বৈঠক করেছেন। কিয়েভের অংশীদারদের সহায়তায় বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার বিষয়ে এসব আলোচনা হয়েছে।
উমেরভ বলেন, ‘এই আলোচনার ফল হিসেবে পক্ষগুলো ইস্তাম্বুল চুক্তিতে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছে। বিষয়টি ১ হাজার ২০০ ইউক্রেনীয়কে মুক্ত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।’
ইউক্রেনের এই বক্তব্যের বিষয়ে মস্কোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইস্তাম্বুল চুক্তি হলো ২০২২ সালে তুর্কি মধ্যস্থতায় গঠিত বন্দি-বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতা, যেখানে বড় পরিসরে দুদেশের মধ্যে সমন্বিত বিনিময়ের নিয়ম নির্ধারিত হয়েছিল। এরপর থেকে দুদেশ হাজার হাজার বন্দি বিনিময় করেছে। তবে রাশিয়ার ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর মাঝে–মধ্যে রণক্ষেত্রে উত্তেজনা বাড়ায় এ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
উমেরভ জানান, শিগগিরই প্রক্রিয়ার কার্যকরী দিকগুলো নির্ধারণে নতুন করে পরামর্শ বৈঠক হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিরামহীনভাবে কাজ করছি, যাতে বন্দিদশা থেকে ইউক্রেনীয়রা নতুন বছর ও বড়দিন ঘরে, পরিবারের টেবিলে, আপনজনদের সঙ্গে উদযাপন করতে পারে।’