আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:22 PM
দক্ষিণ-পূর্বের ট্রাট প্রদেশে কারফিউ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড। কারণ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষ উপকূলীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল সুরাসান কংসিরি ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও সম্ভাব্য শান্তির মধ্যস্থতাকারী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, দুই দেশ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এর দুই দিন পর এমন সিদ্ধান্ত নিলো থাইল্যান্ড।
রিয়ার অ্যাডমিরাল সুরাসান কংসিরি বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে, শনিবার কম্বোডিয়া আবারও যুদ্ধবিরতি গ্রহণের প্রস্তাব দেয়ার পর থেকে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘থাইল্যান্ড কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত, তবে কম্বোডিয়াকে প্রথমে শত্রুতা বন্ধ করতে হবে। তারপরই আমরা আলোচনা করতে পারব।’
শনিবার থাইল্যান্ডের বাহিনী জানায়, তারা একটি সেতু ধ্বংস করেছে যা কম্বোডিয়া উপকূলে ভারী অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করতে ব্যবহার করছি এবং কোহ কং প্রদেশে পূর্বেই স্থাপিত আর্টিলারির ওপর লক্ষ্যভেদী অভিযান চালিয়েছে। কম্বোডিয়া থাইল্যান্ডকে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ করেছে।
থাইল্যান্ডের কারফিউ ট্রাট প্রদেশের পাঁচটি জেলায় প্রযোজ্য, যা কোহ কং-এ প্রতিবেশী, তবে পর্যটক দ্বীপ কোহ চাং ও কোহ কুড অন্তর্ভুক্ত নয়। পূর্বের সাকেও প্রদেশে আরোপিত কারফিউ এখনও বজায় আছে।
সোমবার থেকে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের ৮১৭ কিলোমিটার সীমান্ত বরাবর ভারী অস্ত্র বিনিময় করছে, যা জুলাইয়ের পাঁচদিনব্যাপী সংঘর্ষের পর থেকে সবচেয়ে তীব্র। ওই সংঘর্ষে ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, তিনি শুক্রবার থাইল্যান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সব গুলিবর্ষণ বন্ধে তারা সম্মত হয়েছে।
শনিবার অনুতিন প্রতিজ্ঞা করেছেন, “যতক্ষণ না আমরা আমাদের ভূমি ও জনগণের নিরাপত্তায় সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা পাই, ততক্ষণ লড়াই চালিয়ে যাব।”
হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্প প্রত্যাশা করেন, সব পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করবেন এবং হত্যা বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে কাউকেই দায়মুক্ত রাখা হবে না।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:22 PM
দক্ষিণ-পূর্বের ট্রাট প্রদেশে কারফিউ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড। কারণ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষ উপকূলীয় এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল সুরাসান কংসিরি ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও সম্ভাব্য শান্তির মধ্যস্থতাকারী ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, দুই দেশ যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। এর দুই দিন পর এমন সিদ্ধান্ত নিলো থাইল্যান্ড।
রিয়ার অ্যাডমিরাল সুরাসান কংসিরি বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে, শনিবার কম্বোডিয়া আবারও যুদ্ধবিরতি গ্রহণের প্রস্তাব দেয়ার পর থেকে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘থাইল্যান্ড কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত, তবে কম্বোডিয়াকে প্রথমে শত্রুতা বন্ধ করতে হবে। তারপরই আমরা আলোচনা করতে পারব।’
শনিবার থাইল্যান্ডের বাহিনী জানায়, তারা একটি সেতু ধ্বংস করেছে যা কম্বোডিয়া উপকূলে ভারী অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরবরাহ করতে ব্যবহার করছি এবং কোহ কং প্রদেশে পূর্বেই স্থাপিত আর্টিলারির ওপর লক্ষ্যভেদী অভিযান চালিয়েছে। কম্বোডিয়া থাইল্যান্ডকে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ করেছে।
থাইল্যান্ডের কারফিউ ট্রাট প্রদেশের পাঁচটি জেলায় প্রযোজ্য, যা কোহ কং-এ প্রতিবেশী, তবে পর্যটক দ্বীপ কোহ চাং ও কোহ কুড অন্তর্ভুক্ত নয়। পূর্বের সাকেও প্রদেশে আরোপিত কারফিউ এখনও বজায় আছে।
সোমবার থেকে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের ৮১৭ কিলোমিটার সীমান্ত বরাবর ভারী অস্ত্র বিনিময় করছে, যা জুলাইয়ের পাঁচদিনব্যাপী সংঘর্ষের পর থেকে সবচেয়ে তীব্র। ওই সংঘর্ষে ট্রাম্প ও মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, তিনি শুক্রবার থাইল্যান্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সব গুলিবর্ষণ বন্ধে তারা সম্মত হয়েছে।
শনিবার অনুতিন প্রতিজ্ঞা করেছেন, “যতক্ষণ না আমরা আমাদের ভূমি ও জনগণের নিরাপত্তায় সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা পাই, ততক্ষণ লড়াই চালিয়ে যাব।”
হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্প প্রত্যাশা করেন, সব পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করবেন এবং হত্যা বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে কাউকেই দায়মুক্ত রাখা হবে না।