নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:27 PM
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নব দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মানুষ যত নির্বাচনমুখী হচ্ছে, ততই নির্বাচনের পরিবেশ ভীতিকর করতে এই কাজগুলো করা হচ্ছে। মানুষকে ভয় দেখাতেই আক্রমণ করা হচ্ছে। সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের হীন, কাপুরুষোচিত ও চক্রান্তমূলক আক্রমণের জবাব দেবে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং অধীন দফতর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে একেবারেই কোনও কাজ হয়নি, তা নয়। তবে আউটকামটি আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রচার কমিশন, প্রেস কাউন্সিল ও স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন— এই তিনটিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
এদিকে তথ্য উপদেষ্টা সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের সংগে মত বিনিময়ের সময় বলেন, নির্বাচনি সময়ে প্রপাগান্ডা, অপতথ্য ও ভুল তথ্য মোকাবিলায় গণমাধ্যমকে অবশ্যই সত্য ও যাচাই করা তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে যেন নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, সরকার একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম প্রত্যাশা করে। তথ্যপ্রবাহ হবে অবাধ, তবে তা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং সঠিক তথ্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়ক ভূমিকা রাখাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম ইতোমধ্যেই গণতন্ত্র চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ ভূমিকা আরও পেশাদার ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা, নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার সঠিক তথ্যের পক্ষে থাকবে এবং এই কাজে গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার– এই তিন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) নূর মো. মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার ও প্রেস) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রধানরা নব দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া তিনটি মন্ত্রণালয়ে বর্তমান তিন উপদেষ্টাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের দফতর পুনর্বণ্টন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:27 PM
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নব দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, মানুষ যত নির্বাচনমুখী হচ্ছে, ততই নির্বাচনের পরিবেশ ভীতিকর করতে এই কাজগুলো করা হচ্ছে। মানুষকে ভয় দেখাতেই আক্রমণ করা হচ্ছে। সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের হীন, কাপুরুষোচিত ও চক্রান্তমূলক আক্রমণের জবাব দেবে।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং অধীন দফতর ও সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে একেবারেই কোনও কাজ হয়নি, তা নয়। তবে আউটকামটি আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রচার কমিশন, প্রেস কাউন্সিল ও স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন— এই তিনটিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
এদিকে তথ্য উপদেষ্টা সচিবালয়ে কর্মকর্তাদের সংগে মত বিনিময়ের সময় বলেন, নির্বাচনি সময়ে প্রপাগান্ডা, অপতথ্য ও ভুল তথ্য মোকাবিলায় গণমাধ্যমকে অবশ্যই সত্য ও যাচাই করা তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে যেন নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, সরকার একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম প্রত্যাশা করে। তথ্যপ্রবাহ হবে অবাধ, তবে তা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয় বরং সঠিক তথ্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে সহায়ক ভূমিকা রাখাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম ইতোমধ্যেই গণতন্ত্র চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ ভূমিকা আরও পেশাদার ও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা, নৈতিকতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার সঠিক তথ্যের পক্ষে থাকবে এবং এই কাজে গণমাধ্যমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। স্বাধীনতা, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার– এই তিন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) নূর মো. মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার ও প্রেস) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রধানরা নব দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
প্রসঙ্গত, গত ১১ ডিসেম্বর দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া তিনটি মন্ত্রণালয়ে বর্তমান তিন উপদেষ্টাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের দফতর পুনর্বণ্টন করা হয়।