নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 12:20 PM
১৪ ডিসেম্বর ইনস্টিটিউট অব ক্লাইমেট চেইঞ্জ এনভায়রনমেন্ট এন্ড সাসটেইনেবিলিটী (আইসিসিইএস)ও ডিপার্টমেন্ট অফ এনভায়রনমেন্ট সাইন্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে জলবায়ু নিয়ে তরুনদের ভাবনা জানাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে, 'শেয়ার ম্যান্ডেট, শেয়ার ফিচার' প্যানেল আলোচনা।
জলবায়ু সম্মেলনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে মূল বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ। ড. আহমেদ উল্লেখ করেন যে “উচ্চাভিলাষী প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল—কোনো দেশই যথেষ্টভাবে সমর্থন দিচ্ছে না”। তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু তহবিল যেন উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থে কার্যকরভাবে কাজ করে, সে জন্য তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখা অত্যন্ত জরুরি”। তিনি বলেন,“১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিলের ভেতরেই পুঁজিবাদের বীজ রয়ে গেছে। আমরা যদি আলোচনায় যথেষ্ট সক্রিয় না থাকি, তাহলে এটি নতুন ধরনের উপনিবেশবাদে রূপ নিতে পারে”।
প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আইইউবি-এর পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান, ড. মো. হাফিজুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইআরডি-এর ইউএন উইং চিফ একেএম সোহেল,
ন্যাকম (NACOM)-এর নির্বাহী পরিচালক, ড. মনজুরুল হান্নান খান, ইনস্টিটিউট অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (আইসিসিইএস) এর চেয়ারম্যান শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, আইইউবি-এর আইসিসিসিএডি (ICCCAD)-এর জেন্ডার অ্যান্ড ইয়ুথ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর, সুমাইয়া বিনতে সেলিম প্রমুখ। এছাড়াও, বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা তাদের মন্তব্য রাখেন ।
আলোচনার শুরুতে বক্তারা বলেন, ব্রাজিলের বেলেমে কপ-৩০-তে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি বিশ্লেষণ করার জন্য এবং জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর, শেয়ার্ড ম্যান্ডেটের সাথে একীভূত করার জন্য এই সংলাপটি অপরিহার্য।
বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে যখন রেকর্ড-ভাঙা উষ্ণতা বিরাজ করছে এবং 1.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির লক্ষ্য দ্রুত নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে , ঠিক তখনই 'বাস্তবায়নের কপ' হিসেবে কপ ৩০ (COP30)-কে দেখা হচ্ছিল । টানা কয়েক বছর ধরে একের পর এক কপ (COP) থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসার পর , আমাজনের প্রান্তে অবস্থিত ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত এই বছরের কনফারেন্স অফ পার্টিজ (Conference of Parties)-এর উপর অনেক আশা ছিল ।
বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু এই বেলেম কপ-এ আসলে কী কী অর্জন হয়েছে? আর বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এর অর্থ কী? বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার সামগ্রিক অবস্থা এবং এর ফলাফল বাংলাদেশের জাতীয় নীতি ও জলবায়ু কৌশলের জন্য কী ধরনের প্রভাব ফেলে, এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন |
উল্লেখযোগ্য যে, ইনস্টিটিউট অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (ICCES) হলো একটি অলাভজনক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান । এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিবেদিত। আইসিসিইএস বিজ্ঞান, নীতি এবং বাস্তব অনুশীলনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, যাতে গবেষণালব্ধ জ্ঞান বাস্তব-ভিত্তিক সমাধানে কাজে লাগে । বাংলাদেশের ট্রাস্ট আইনের অধীনে একটি দাতব্য ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধিত আইসিসিইএস একটি অংশগ্রহণমূলক শাসন কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ, এক্সিকিউটিভ টিম, অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল এবং সাধারণ সদস্যগণ—যা এর সততা, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসইতা নিশ্চিত করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 12:20 PM
১৪ ডিসেম্বর ইনস্টিটিউট অব ক্লাইমেট চেইঞ্জ এনভায়রনমেন্ট এন্ড সাসটেইনেবিলিটী (আইসিসিইএস)ও ডিপার্টমেন্ট অফ এনভায়রনমেন্ট সাইন্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে জলবায়ু নিয়ে তরুনদের ভাবনা জানাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে, 'শেয়ার ম্যান্ডেট, শেয়ার ফিচার' প্যানেল আলোচনা।
জলবায়ু সম্মেলনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে মূল বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ। ড. আহমেদ উল্লেখ করেন যে “উচ্চাভিলাষী প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল—কোনো দেশই যথেষ্টভাবে সমর্থন দিচ্ছে না”। তিনি আরও বলেন, “জলবায়ু তহবিল যেন উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থে কার্যকরভাবে কাজ করে, সে জন্য তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখা অত্যন্ত জরুরি”। তিনি বলেন,“১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিলের ভেতরেই পুঁজিবাদের বীজ রয়ে গেছে। আমরা যদি আলোচনায় যথেষ্ট সক্রিয় না থাকি, তাহলে এটি নতুন ধরনের উপনিবেশবাদে রূপ নিতে পারে”।
প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আইইউবি-এর পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান, ড. মো. হাফিজুর রহমান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইআরডি-এর ইউএন উইং চিফ একেএম সোহেল,
ন্যাকম (NACOM)-এর নির্বাহী পরিচালক, ড. মনজুরুল হান্নান খান, ইনস্টিটিউট অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (আইসিসিইএস) এর চেয়ারম্যান শেখ তাজুল ইসলাম তুহিন, আইইউবি-এর আইসিসিসিএডি (ICCCAD)-এর জেন্ডার অ্যান্ড ইয়ুথ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর, সুমাইয়া বিনতে সেলিম প্রমুখ। এছাড়াও, বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা তাদের মন্তব্য রাখেন ।
আলোচনার শুরুতে বক্তারা বলেন, ব্রাজিলের বেলেমে কপ-৩০-তে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি বিশ্লেষণ করার জন্য এবং জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর, শেয়ার্ড ম্যান্ডেটের সাথে একীভূত করার জন্য এই সংলাপটি অপরিহার্য।
বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে যখন রেকর্ড-ভাঙা উষ্ণতা বিরাজ করছে এবং 1.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির লক্ষ্য দ্রুত নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে , ঠিক তখনই 'বাস্তবায়নের কপ' হিসেবে কপ ৩০ (COP30)-কে দেখা হচ্ছিল । টানা কয়েক বছর ধরে একের পর এক কপ (COP) থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসার পর , আমাজনের প্রান্তে অবস্থিত ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত এই বছরের কনফারেন্স অফ পার্টিজ (Conference of Parties)-এর উপর অনেক আশা ছিল ।
বক্তারা আরও বলেন, কিন্তু এই বেলেম কপ-এ আসলে কী কী অর্জন হয়েছে? আর বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এর অর্থ কী? বৈশ্বিক জলবায়ু আলোচনার সামগ্রিক অবস্থা এবং এর ফলাফল বাংলাদেশের জাতীয় নীতি ও জলবায়ু কৌশলের জন্য কী ধরনের প্রভাব ফেলে, এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন |
উল্লেখযোগ্য যে, ইনস্টিটিউট অফ ক্লাইমেট চেঞ্জ, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (ICCES) হলো একটি অলাভজনক গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান । এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীলতা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিবেদিত। আইসিসিইএস বিজ্ঞান, নীতি এবং বাস্তব অনুশীলনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, যাতে গবেষণালব্ধ জ্ঞান বাস্তব-ভিত্তিক সমাধানে কাজে লাগে । বাংলাদেশের ট্রাস্ট আইনের অধীনে একটি দাতব্য ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধিত আইসিসিইএস একটি অংশগ্রহণমূলক শাসন কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ, এক্সিকিউটিভ টিম, অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল এবং সাধারণ সদস্যগণ—যা এর সততা, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসইতা নিশ্চিত করে।