CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ জানুয়ারি, ২০২৬

শীতে ত্বকের বিদ্রোহ থেকে বাঁচার উপায়

#
news image

শীত এলেই অনেকের ত্বক যেন বিদ্রোহ ঘোষণা করে। টানটান ভাব, খসখসে ভাব, চুলকানি; কখনও কখনও ফাটলও দেখা দেয়। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এসি, গরম পানি, ধুলোবালি আর কম আর্দ্রতা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তবে একটু সচেতন হলেই এই শীতেও ত্বক রাখা যায় সুস্থ ও আরামদায়ক।

কেন শীতে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়...

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। ফলে ত্বকের ওপরের প্রাকৃতিক তেল দ্রুত শুকিয়ে যায়। তার ওপর গরম পানি দিয়ে গোসল, অতিরিক্ত সাবান বা ফেসওয়াশ ব্যবহার ত্বকের ‘প্রোটেকটিভ লেয়ার’ আরও দুর্বল করে দেয়। ফলাফল- রুক্ষতা, চুলকানি আর অস্বস্তি।

গোসলের অভ্যাস বদলালেই...
শীতে দীর্ঘ সময় গরম পানি দিয়ে গোসল ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। হালকা কুসুম গরম পানিই যথেষ্ট। গোসলের পর শরীর মুছেই যখন ত্বক সামান্য ভেজা থাকে, তখনই ময়েশ্চারাইজার লাগানো সবচেয়ে কার্যকর। এতে ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা আটকে থাকে।

ময়েশ্চারাইজার বাছাইয়ে সচেতনতা...
শীতে হালকা লোশনের বদলে ক্রিম বা বডি বাটার বেশি কার্যকর। গ্লিসারিন, শিয়া বাটার, অ্যালোভেরা বা সেরামাইডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ত্বককে দীর্ঘক্ষণ নরম রাখে। মুখের জন্য আলাদা ফেস ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাই ভালো।

ঠোঁট ও হাতের বাড়তি যত্ন...
শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগে ঠোঁট আর হাত। নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট ফাটা কমে। বাইরে বেরোনোর সময় হাতের জন্য হ্যান্ড ক্রিম রাখা অভ্যাস করলে রুক্ষতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ত্বকের যত্ন শুরু হোক...
শুধু বাইরে যত্ন নিলেই হবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করা, মৌসুমি ফল ও শাকসবজি খাওয়া ত্বকের জন্য জরুরি। কম পানি খেলে ত্বক আরও দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত হলেও পানির ঘাটতি রাখা যাবে না।

কোন সময় সতর্ক হবেন...
যদি ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে দাগ বা ফাটল থেকে রক্তপাত শুরু হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অনেক সময় সাধারণ শুষ্কতার আড়ালে একজিমা বা অ্যালার্জির সমস্যাও লুকিয়ে থাকতে পারে।

বলা ভালো...
শীত মানেই শুষ্ক ত্বকের যন্ত্রণা- এই ধারণা বদলানো এখন সময়ের দাবি। একটু সচেতনতা, সঠিক পণ্য নির্বাচন আর নিয়মিত যত্নেই শীতকাল কাটতে পারেন আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী ত্বক নিয়ে। টেনশন নয়, শীত উপভোগ করুন; বিদ্রোহ না করে ত্বক থাকবে আপনার পাশেই।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  6:31 PM

news image

শীত এলেই অনেকের ত্বক যেন বিদ্রোহ ঘোষণা করে। টানটান ভাব, খসখসে ভাব, চুলকানি; কখনও কখনও ফাটলও দেখা দেয়। বিশেষ করে শহুরে জীবনে এসি, গরম পানি, ধুলোবালি আর কম আর্দ্রতা ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তবে একটু সচেতন হলেই এই শীতেও ত্বক রাখা যায় সুস্থ ও আরামদায়ক।

কেন শীতে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়...

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। ফলে ত্বকের ওপরের প্রাকৃতিক তেল দ্রুত শুকিয়ে যায়। তার ওপর গরম পানি দিয়ে গোসল, অতিরিক্ত সাবান বা ফেসওয়াশ ব্যবহার ত্বকের ‘প্রোটেকটিভ লেয়ার’ আরও দুর্বল করে দেয়। ফলাফল- রুক্ষতা, চুলকানি আর অস্বস্তি।

গোসলের অভ্যাস বদলালেই...
শীতে দীর্ঘ সময় গরম পানি দিয়ে গোসল ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। হালকা কুসুম গরম পানিই যথেষ্ট। গোসলের পর শরীর মুছেই যখন ত্বক সামান্য ভেজা থাকে, তখনই ময়েশ্চারাইজার লাগানো সবচেয়ে কার্যকর। এতে ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা আটকে থাকে।

ময়েশ্চারাইজার বাছাইয়ে সচেতনতা...
শীতে হালকা লোশনের বদলে ক্রিম বা বডি বাটার বেশি কার্যকর। গ্লিসারিন, শিয়া বাটার, অ্যালোভেরা বা সেরামাইডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ত্বককে দীর্ঘক্ষণ নরম রাখে। মুখের জন্য আলাদা ফেস ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাই ভালো।

ঠোঁট ও হাতের বাড়তি যত্ন...
শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগে ঠোঁট আর হাত। নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট ফাটা কমে। বাইরে বেরোনোর সময় হাতের জন্য হ্যান্ড ক্রিম রাখা অভ্যাস করলে রুক্ষতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ত্বকের যত্ন শুরু হোক...
শুধু বাইরে যত্ন নিলেই হবে না। পর্যাপ্ত পানি পান করা, মৌসুমি ফল ও শাকসবজি খাওয়া ত্বকের জন্য জরুরি। কম পানি খেলে ত্বক আরও দ্রুত শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত হলেও পানির ঘাটতি রাখা যাবে না।

কোন সময় সতর্ক হবেন...
যদি ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে দাগ বা ফাটল থেকে রক্তপাত শুরু হয়, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অনেক সময় সাধারণ শুষ্কতার আড়ালে একজিমা বা অ্যালার্জির সমস্যাও লুকিয়ে থাকতে পারে।

বলা ভালো...
শীত মানেই শুষ্ক ত্বকের যন্ত্রণা- এই ধারণা বদলানো এখন সময়ের দাবি। একটু সচেতনতা, সঠিক পণ্য নির্বাচন আর নিয়মিত যত্নেই শীতকাল কাটতে পারেন আরামদায়ক ও আত্মবিশ্বাসী ত্বক নিয়ে। টেনশন নয়, শীত উপভোগ করুন; বিদ্রোহ না করে ত্বক থাকবে আপনার পাশেই।