খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:22 PM
খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন (যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন) উদযাপিত হচ্ছে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ উৎসব পালন করেন জেলার বিভিন্ন চার্চ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে খাগড়াপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে বড়দিন উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনা ও উপাসনার।
চার্চের পালক হেমংকর ত্রিপুরার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ প্রার্থনায় দেশ ও জাতির মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
উপাসনায় চার্চের নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা অংশগ্রহণ করেন।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বড়দিনের কেক কাটা হয়। এরপর শিশু ও কিশোরদের জন্য ইনডোর ও আউটডোর বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন রয়েছে, যা উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
এ ছাড়াও বড়দিন উপলক্ষে চার্চ প্রাঙ্গণ আলোকসজ্জা ও রঙিন সাজে সজ্জিত করা হয়। সকাল থেকে চার্চ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।
চার্চের পালক হেমংকর ত্রিপুরা বলেন, বড়দিন আমাদের জন্য ভালোবাসা, ক্ষমা ও মানবতার শিক্ষা বহন করে। এই দিনে আমরা সবাই যেন পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হই এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলি এটাই আমাদের কামনা।
খাগড়াছড়িতে এ বছর প্রায় ৯৮টি ব্যাপ্টিস্ট এবং ক্যাথলিক গির্জায় বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। সার্বিকভাবে পাহাড়ি এই জেলায় বড়দিন উপলক্ষে ছিল ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের মিলনমেলা।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:22 PM
খাগড়াছড়িতে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন (যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন) উদযাপিত হচ্ছে। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ উৎসব পালন করেন জেলার বিভিন্ন চার্চ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে খাগড়াপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে বড়দিন উপলক্ষে আয়োজন করা হয় বিশেষ প্রার্থনা ও উপাসনার।
চার্চের পালক হেমংকর ত্রিপুরার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ প্রার্থনায় দেশ ও জাতির মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করা হয়।
উপাসনায় চার্চের নারী-পুরুষ ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ খ্রিস্টানরা অংশগ্রহণ করেন।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে বড়দিনের কেক কাটা হয়। এরপর শিশু ও কিশোরদের জন্য ইনডোর ও আউটডোর বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন রয়েছে, যা উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
এ ছাড়াও বড়দিন উপলক্ষে চার্চ প্রাঙ্গণ আলোকসজ্জা ও রঙিন সাজে সজ্জিত করা হয়। সকাল থেকে চার্চ এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।
চার্চের পালক হেমংকর ত্রিপুরা বলেন, বড়দিন আমাদের জন্য ভালোবাসা, ক্ষমা ও মানবতার শিক্ষা বহন করে। এই দিনে আমরা সবাই যেন পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল হই এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলি এটাই আমাদের কামনা।
খাগড়াছড়িতে এ বছর প্রায় ৯৮টি ব্যাপ্টিস্ট এবং ক্যাথলিক গির্জায় বড়দিন উদযাপিত হচ্ছে। সার্বিকভাবে পাহাড়ি এই জেলায় বড়দিন উপলক্ষে ছিল ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও আনন্দের মিলনমেলা।