CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬

মস্কোতে জেলেনস্কির হামলা চালানো উচিত হবে না: ট্রাম্প

#
news image

মস্কো লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা চালানো ঠিক হবে না করে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার আগেই আগামী ৫০ দিনের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উচিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়া। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউজে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মস্কোতে হামলা চালানো উচিত হবে তিনি মনে করেন কিনা। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোরালোভাবে বলেন, না, মস্কোকে নিশানায় পরিণত করা জেলেনস্কির ঠিক হবে না।


এই প্রশ্নের সূত্রপাত ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। একাধিক ব্যক্তির বরাতে সেখানে দাবি করা হয়, সর্বশেষ বৈঠকে রাশিয়ার গভীরে হামলা চালানোর জন্য জেলেনস্কিকে উৎসাহ দিচ্ছিলেন ট্রাম্প।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র দূরপাল্লার অস্ত্র দিলে মস্কোতে হামলা করতে পারবেন কিনা, জেলেনস্কির কাছে এই প্রশ্ন রাখেন ট্রাম্প।

সোমবার এক ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি আলোচনায় সম্মত হওয়ার জন্য রাশিয়াকে ৫০ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে তাদের ওপর নেমে আসবে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। 
মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যে ইউক্রেনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়ে গেছে।

সোমবারের বিস্ফোরক ঘোষণার পর পুতিনের সঙ্গে আলাপ হয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে, চুক্তি হতে ৫০ দিন প্রয়োজন হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন ইউক্রেনের পক্ষে আছেন কিনা। উত্তরে তিনি বলেন, আমি নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নিচ্ছি না। আমি কেবল হানাহানির অবসান চাই। আমি মানবতার পক্ষে।

ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করে আসছেন ট্রাম্প। মাঝে তো ইউক্রেনকে মাঠের বাইরে রেখেই রাশিয়াকে নিয়ে যুদ্ধবিরতি আলোচনার আয়োজন করে ফেলেছিলেন তিনি। তখন ইউক্রেন ও তার মিত্রদের মধ্যে হায় হায় রব উঠেছিল এই ভেবে যে, কিয়েভের দিক থেকে হোয়াইট হাউজ মুখ ফিরিয়ে মস্কোর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলছে।

তবে সম্প্রতি পুতিনের প্রতি তার সেই মধুর সম্পর্কে দেখা যাচ্ছে বিরক্তির আভাস। মাঝে তো একদিন বলেই ফেললেন, পুতিন দিনে মিষ্টি কথা বলেন আর সন্ধ্যা নামতে সবাইকে বোমা মারেন। আরেকদিন বলেন, গত ত্রিশ বছরে আমি বাদে সব প্রেসিডেন্টকে বোকা বানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা হুমকির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, চুক্তি না হলে রাশিয়ার তেল ক্রেতাদের ওপর শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেননি যে, এই যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে কি না।

এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, ৫০ দিনের মধ্যে যদি কোনও চুক্তি না হয়, তাহলে সেটা হবে খুবই দুঃখজনক।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৬ জুলাই, ২০২৫,  3:15 PM

news image

মস্কো লক্ষ্য করে ইউক্রেনের হামলা চালানো ঠিক হবে না করে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার আগেই আগামী ৫০ দিনের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উচিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়া। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউজে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মস্কোতে হামলা চালানো উচিত হবে তিনি মনে করেন কিনা। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোরালোভাবে বলেন, না, মস্কোকে নিশানায় পরিণত করা জেলেনস্কির ঠিক হবে না।


এই প্রশ্নের সূত্রপাত ফিন্যান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। একাধিক ব্যক্তির বরাতে সেখানে দাবি করা হয়, সর্বশেষ বৈঠকে রাশিয়ার গভীরে হামলা চালানোর জন্য জেলেনস্কিকে উৎসাহ দিচ্ছিলেন ট্রাম্প।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র দূরপাল্লার অস্ত্র দিলে মস্কোতে হামলা করতে পারবেন কিনা, জেলেনস্কির কাছে এই প্রশ্ন রাখেন ট্রাম্প।

সোমবার এক ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দেবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি আলোচনায় সম্মত হওয়ার জন্য রাশিয়াকে ৫০ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে সমাধান না হলে তাদের ওপর নেমে আসবে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। 
মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানান, কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যে ইউক্রেনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়ে গেছে।

সোমবারের বিস্ফোরক ঘোষণার পর পুতিনের সঙ্গে আলাপ হয়নি বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে, চুক্তি হতে ৫০ দিন প্রয়োজন হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের জন্য সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন ইউক্রেনের পক্ষে আছেন কিনা। উত্তরে তিনি বলেন, আমি নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নিচ্ছি না। আমি কেবল হানাহানির অবসান চাই। আমি মানবতার পক্ষে।

ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করে আসছেন ট্রাম্প। মাঝে তো ইউক্রেনকে মাঠের বাইরে রেখেই রাশিয়াকে নিয়ে যুদ্ধবিরতি আলোচনার আয়োজন করে ফেলেছিলেন তিনি। তখন ইউক্রেন ও তার মিত্রদের মধ্যে হায় হায় রব উঠেছিল এই ভেবে যে, কিয়েভের দিক থেকে হোয়াইট হাউজ মুখ ফিরিয়ে মস্কোর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলছে।

তবে সম্প্রতি পুতিনের প্রতি তার সেই মধুর সম্পর্কে দেখা যাচ্ছে বিরক্তির আভাস। মাঝে তো একদিন বলেই ফেললেন, পুতিন দিনে মিষ্টি কথা বলেন আর সন্ধ্যা নামতে সবাইকে বোমা মারেন। আরেকদিন বলেন, গত ত্রিশ বছরে আমি বাদে সব প্রেসিডেন্টকে বোকা বানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা হুমকির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, চুক্তি না হলে রাশিয়ার তেল ক্রেতাদের ওপর শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করেননি যে, এই যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে কি না।

এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত মন্তব্য, ৫০ দিনের মধ্যে যদি কোনও চুক্তি না হয়, তাহলে সেটা হবে খুবই দুঃখজনক।