লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৬ নভেম্বর, ২০২৫, 5:28 PM
শীত যতই গভীর হয়, বাঙালির রান্নাঘরের ঘ্রাণে ততই বদলে যায় তাল-লয়। কুয়াশা ঢাকা জানালার ধারে বসে ভাত বা খিচুড়ির সাথে গরম গরম হাঁসের মাংস—এ যেন শীতের আনন্দের চূড়ান্ত পরিচয়। বাজারে নতুন ধানের চাল, মাথাভরা সরিষার ফুলের মাঝে গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে শীত এলেই শুরু হয়ে যায় হাঁসের মাংস রান্নার তোড়জোড়।
হাঁসের মাংসে একটা আলাদা স্বাদ আছে—চর্বিমাখা, ঘ্রাণে ভরপুর, আর ঠিকঠাক মসলায় রান্না করলে যেন মুখে গলে যায়। তবে অনেকেই মনে করেন হাঁসের মাংস মানেই সময়সাপেক্ষ ও জটিল রান্না। তাই এই শীতে আপনাকে ঝামেলায় না ফেলে দিলাম একদম সহজ, ঝটপট হাঁসের মাংস রান্নার তরিকা। সময় কম কিন্তু স্বাদ ঠিক সেই ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলায় রান্নার মতোই ঘর জুড়ে ছড়িয়ে দেবে উষ্ণতার আমেজ।
উপকরণ (৪–৫ জনের জন্য)
হাঁসের মাংস– ১ কেজি
পেঁয়াজ কুঁচি– ২ কাপ
আদা বাটা– ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা– ১ টেবিল চামচ
টমেটো– ১টি
লাল মরিচ গুঁড়া– ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া– ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া– ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া– ১ চা চামচ
গরম মসলা– আধা চা চামচ
কাঁচা মরিচ– ৪–৫টি
লবণ– স্বাদমতো
সরিষার তেল– আধা কাপ
পানি– প্রয়োজন অনুযায়ী
রান্নার ধাপগুলো
মশলা মেখে অপেক্ষা
হাঁসের মাংস ধুয়ে নিন। একে একে আদা-রসুন, মরিচ, ধনে, জিরা, লবণ আর হলুদ মাখানো হলে মাংস ঢেকে রাখুন কিছুটা সময়। মসলা মাংসে ঢুকে একদম আলাদা রঙ রূপ নেবে।
এবার চুলার পালা
চুলায় কড়াই চড়িয়ে সরিষার তেল ভালো করে গরম করুন। পেঁয়াজ দিয়ে ধীরে ধীরে ভাজুন যতক্ষণ না হালকা বাদামি হয়। টমেটো যোগ করলে একসময় মিশে যাবে পেঁয়াজের সাথে আর তার টক-মিষ্টি স্বাদ তৈরি করবে দারুণ একটি ভিত্তি।
মাংসের ভুনা
এবার ঢুকে পড়বে প্রধান চরিত্র—হাঁসের মাংস। মাঝারি আঁচে মাংস ভুনতে থাকুন। মাংসের ভেতরের পানি বেরিয়ে মিশে যাবে মসলার সাথে, আর কড়াই থেকে উঠবে শীতের বিকেলের সেই পরিচিত সুগন্ধ।
ঝোল তৈরি ও সেদ্ধ হওয়া
মাংস লালচে হয়ে এলে প্রয়োজন মতো গরম পানি দিন। হাঁসের মাংস সাধারণত কিছুটা শক্ত হয়, তাই ঢেকে ২৫–৩০ মিনিট সময় দিন। কাঁচা মরিচ ও গরম মসলার সুবাসে তখন ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে শীতের রান্নার সেই মাতাল ঘ্রাণ।
পরিবেশন
ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, চালের রুটি—সব কিছুর সাথেই এই ঝটপট হাঁসের মাংস মানিয়ে যায় দারুণভাবে। বিশেষ করে শীতের রাতের খাবারে এক থালা গরম ভাতে এই মাংস যেন অপরাধী লোভ।
লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৬ নভেম্বর, ২০২৫, 5:28 PM
শীত যতই গভীর হয়, বাঙালির রান্নাঘরের ঘ্রাণে ততই বদলে যায় তাল-লয়। কুয়াশা ঢাকা জানালার ধারে বসে ভাত বা খিচুড়ির সাথে গরম গরম হাঁসের মাংস—এ যেন শীতের আনন্দের চূড়ান্ত পরিচয়। বাজারে নতুন ধানের চাল, মাথাভরা সরিষার ফুলের মাঝে গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে শীত এলেই শুরু হয়ে যায় হাঁসের মাংস রান্নার তোড়জোড়।
হাঁসের মাংসে একটা আলাদা স্বাদ আছে—চর্বিমাখা, ঘ্রাণে ভরপুর, আর ঠিকঠাক মসলায় রান্না করলে যেন মুখে গলে যায়। তবে অনেকেই মনে করেন হাঁসের মাংস মানেই সময়সাপেক্ষ ও জটিল রান্না। তাই এই শীতে আপনাকে ঝামেলায় না ফেলে দিলাম একদম সহজ, ঝটপট হাঁসের মাংস রান্নার তরিকা। সময় কম কিন্তু স্বাদ ঠিক সেই ঐতিহ্যবাহী মাটির চুলায় রান্নার মতোই ঘর জুড়ে ছড়িয়ে দেবে উষ্ণতার আমেজ।
উপকরণ (৪–৫ জনের জন্য)
হাঁসের মাংস– ১ কেজি
পেঁয়াজ কুঁচি– ২ কাপ
আদা বাটা– ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা– ১ টেবিল চামচ
টমেটো– ১টি
লাল মরিচ গুঁড়া– ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া– ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া– ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া– ১ চা চামচ
গরম মসলা– আধা চা চামচ
কাঁচা মরিচ– ৪–৫টি
লবণ– স্বাদমতো
সরিষার তেল– আধা কাপ
পানি– প্রয়োজন অনুযায়ী
রান্নার ধাপগুলো
মশলা মেখে অপেক্ষা
হাঁসের মাংস ধুয়ে নিন। একে একে আদা-রসুন, মরিচ, ধনে, জিরা, লবণ আর হলুদ মাখানো হলে মাংস ঢেকে রাখুন কিছুটা সময়। মসলা মাংসে ঢুকে একদম আলাদা রঙ রূপ নেবে।
এবার চুলার পালা
চুলায় কড়াই চড়িয়ে সরিষার তেল ভালো করে গরম করুন। পেঁয়াজ দিয়ে ধীরে ধীরে ভাজুন যতক্ষণ না হালকা বাদামি হয়। টমেটো যোগ করলে একসময় মিশে যাবে পেঁয়াজের সাথে আর তার টক-মিষ্টি স্বাদ তৈরি করবে দারুণ একটি ভিত্তি।
মাংসের ভুনা
এবার ঢুকে পড়বে প্রধান চরিত্র—হাঁসের মাংস। মাঝারি আঁচে মাংস ভুনতে থাকুন। মাংসের ভেতরের পানি বেরিয়ে মিশে যাবে মসলার সাথে, আর কড়াই থেকে উঠবে শীতের বিকেলের সেই পরিচিত সুগন্ধ।
ঝোল তৈরি ও সেদ্ধ হওয়া
মাংস লালচে হয়ে এলে প্রয়োজন মতো গরম পানি দিন। হাঁসের মাংস সাধারণত কিছুটা শক্ত হয়, তাই ঢেকে ২৫–৩০ মিনিট সময় দিন। কাঁচা মরিচ ও গরম মসলার সুবাসে তখন ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে শীতের রান্নার সেই মাতাল ঘ্রাণ।
পরিবেশন
ভাত, খিচুড়ি, পোলাও, চালের রুটি—সব কিছুর সাথেই এই ঝটপট হাঁসের মাংস মানিয়ে যায় দারুণভাবে। বিশেষ করে শীতের রাতের খাবারে এক থালা গরম ভাতে এই মাংস যেন অপরাধী লোভ।